মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) জুলাই মাসে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ নিয়ে আয়োজিত একটি আলোচনা ও তথ্যপ্রদর্শনীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ নজরুল বলেন, এত বড় একটা গণহত্যা হয়ে গেল, কিন্তু শেখ হাসিনার কণ্ঠে একটুও অনুশোচনা নেই। তার কথাবার্তা শুনলে বোঝা যায়, সে এখনও প্রতিশোধ নিতে চায়। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রেও যদি কেউ আহত হয়, আর তাকে চিকিৎসা না দেওয়া হয়, সেটাও অপরাধ। কিন্তু এখানে তো মানুষকে গুলি করে মরতে দেওয়া হয়েছে, এমনকি লাশ পুড়িয়ে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধেও পাকিস্তানিরা এতটা বর্বরতা দেখায়নি।
তিনি আরও বলেন, যারা বিচার কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, কিন্তু তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যেমন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম—তার মতো পরিশ্রমী মানুষ খুব কম দেখা যায়। সে রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করে, কোনো প্রমাণ পেলে ছুটে এসে জানায়।
আসিফ নজরুল স্বীকার করেন, ব্যর্থতা আমাদেরও আছে। অজ্ঞতা বা দুর্বলতাও আছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা থামাইনি। আমার নিজের মনও কাঁদে, আপনাদের মতোই। আল্লাহর কাছে জবাবদিহির জায়গা থেকে আমি এই বিচারের বিষয়টি দেখি। আমি ধার্মিক মানুষ, সব সময় মনে করি, আল্লাহ আমাকে দেখছেন। তার কাছেই আমাকে জবাব দিতে হবে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিচার যাতে কেউ পরিবর্তন করতে না পারে, সেভাবেই আমরা ভিত্তি গড়ে তুলছি। ইনশাআল্লাহ, ন্যায়বিচার একদিন হবেই। এ সময় তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত বিচার নয় বরং মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন।
এনএইচ