ফেনীতে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক (টমটম) গুঁড়িয়ে দেয়ার দৃশ্য দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে চালক আবদুল আলিম (৩৭) মারা গেছেন।

সোমবার দুপুরে ফেনী পৌরসভার বারাহীপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এর প্রতিবাদে চালকরা ফেনী-কুমিল্লা মহাসড়কে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে দুই পরিবহন শ্রমিকসহ আহত হয়েছে ৬ জন।

স্থানীয়রা জানায়, জেলা প্রশাসন থেকে ফেনী শহরের ট্রাঙ্ক রোডে ইজিবাইক (টমটম) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এরপরে সেখানে অবৈধভাবে চলাচল করছে শতাধিক ইজিবাইক।

সোমবার জেলা প্রশাসন ইজিবাইক উচ্ছেদে অভিযান চালায়। এসময় প্রায় অর্ধ শতাধিক ইজিবাইক বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। এসময় নিজের টমটম গুড়িয়ে দেয়ার দৃশ্য দেখে বারাহীপুরে টমটম মালিক আবদুল আলিম হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুদ্ধ চালকরা ফেনী শহর টাউন সার্ভিস (ফেনী-জ-০৫/০০৯৩) গাড়িসহ প্রায় ৮/১০টি গাড়ি ভাঙচুর করে।

হামলাকারীদের হাতে বাসচালক মো. ইউনুছ, চালক সহকারী আবুল কাশেমসহ ৬ জন আহত হয়।

এর আগে রোববার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার জেলার পরিবহন শ্রমিক নেতা, টমটম শ্রমিক নেতা, ব্যবসায়ী সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে সভা করেন। সভায় ফেনী শহরের যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টমটম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে ট্রাঙ্ক রোড়ে বুলডোজার দিয়ে টমটম ও ইজিবাইক গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

জেআই