তীব্র তাপদাহে প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা টগবগ করছে সাগরের লোনা জল। আর এ থেকেই হয়তো বৃষ্টি বা ঘূর্ণিঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সময়ে আবহাওয়ার এমন আচরণ স্বাভাবিক। একদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে, আবার বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কমে আসবে। যেহেতু গত কয়েক দিন বৃষ্টির দেখা মিলছে না, সেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে তাপদাহের সৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সীতাকুণ্ডে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় তাপমাত্রা উঠেছে ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা ও সৈয়দপুর অঞ্চলসহ চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অন্যত্র ১-২টি মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আর মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।
এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
মাসের প্রথম সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে।
এ ছাড়া, দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ২-৩ দিন মাঝারি/তীব্র বজ্রঝড় (কালবৈশাখী) ও দেশের অন্যত্র ৩-৪ দিন হালকা/মাঝারি/বজ্রঝড় (কালবৈশাখী) হতে পারে।
মে মাসে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ১-২টি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
এএস





