সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটে ইসলামিয়া শান্তি সমিতির আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায় রাখতে ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও হয়রানির প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
সাইফুল আলম মিলন বলেন, কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি এখন অনেক বড় ইস্যু। পরিস্থিতি এমন হয়ে গেছে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে শুনছি, এখানে গেলে আমারও জীবনের ঝুঁকি আছে। সবাই বলে, ‘ডোন্ট গো ইউথ চাঁদাবাজি’ ।
তিনি বলেন, এটি বন্ধ করা অনেক কঠিন। দুদিন আগে শুনলাম, এখানে কয়েকজন মুরগির ব্যবসায়ী মিলে এক চাঁদাবাজকে ৬০ লাখ টাকা দেয়। এটা তো অনেক বড় অঙ্ক। এগুলো কারা নিচ্ছে, সেসব সবাই জানে। এটা একা কেউ না, সবাই মিলে করতে হবে।
এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমি এলাকায় নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু আমি তো লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নামতে পারবো না। এটা আমার কাজও না। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা লাগবে। সরকার ছাড়া সম্ভব না।
তিনি গণমাধ্যমের উদ্দেশে বলেন, চাঁদাবাজি প্রতিরোধে আপনাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আপনারা বিষয়গুলো সরকারের কাছে তুলে ধরুন।
এ সময় কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী নেতা আলহাজ মো. শাহ কামাল মানিক, পাকা মার্কেট আড়তদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুজন, কিচেন মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমএম