গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী (মেয়র মোহাম্মদ হানিফ) ফ্লাইওভারের ১৫ বছরের আয়ের ওপর কর অবকাশ সুবিধা পেল ওরিয়ন গ্রুপ। কিন্তু এরপরও টোল কমানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান গোলাম হোসেনের সভাপতিত্বে রোববার অনুষ্ঠিত এক বোর্ড সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে আরো জানা যায়, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার নির্মাণে ২০০৫ সালে চুক্তি সই করে তত্কালীন ঢাকা সিটি করপোরেশন ও ওরিয়ন। চুক্তি অনুযায়ী, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেলের টোল হওয়ার কথা ৫ টাকা, অটোরিকশা ১০, কার ৩৫, জিপ ৪০, মাইক্রোবাস ৫০, পিকআপ ৭৫, মিনিবাস ও চার চাকার ট্রাক ১০০, বাস ও ছয় চাকার ট্রাক ১৫০ এবং ট্রেলার ও কাভার্ড ভ্যান ২০০ টাকা।

তবে উদ্বোধনের পরদিন (১২ অক্টোবর) থেকেই এক্ষেত্রে মোটরসাইকেলে ১০ টাকা, অটোরিকশা ১৮, কার ৬০, জিপ ৭০, মাইক্রোবাস ৮৫, পিকআপ ১৩০, মিনিবাস ও চার চাকার ট্রাক ১৭৩, বাস ও ছয় চাকার ট্রাক ২৬০ এবং ট্রেলার ও কাভার্ড ভ্যান থেকে ৩৪৫ টাকা টোল আদায় করা হচ্ছে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, বিল্ড ওন অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার (বিওওটি) পদ্ধতিতে নির্মিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে ১৫ বছরের কর অবকাশের প্রস্তাব দেয় ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। যদিও চুক্তিতে এ ধরনের কোনো বিষয় ছিল না।

তারপরও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবেবিনিয়োগ বোর্ডের বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী এ সুবিধা চায় ওরিয়ন। সর্বশেষতারা এনবিআরের কাছ থেকে ওই সুবিধা পায়।

ফ্লাইওভার নির্মাণে ২০০৫ সালেসরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে তৎকালীন ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) সঙ্গে চুক্তি সই করে বেলহাসা-একম অ্যাসোসিয়েটস। বিনিয়োগ আকর্ষণে সে সময় ১০ বছরের জন্য আয়করের ওপর ৩০ শতাংশ ছাড় দেয়া হয়। আর এখন এই সুবিধা বাড়িয়ে ১৫ বছরের জন্য সম্পূর্ণ কর অব্যাহতি দিল এনবিআর।

ইআর