রোববার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে হরতালের সমর্থনে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, নারায়ণহাট, দাঁতমারা, শান্তিরহাট, হেয়াঁকো, চিকনছড়া ও বাগানবাজার এলাকার অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, ফার্মেসি, ক্লিনিক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা।

হরতালের প্রভাবে ফেনী-খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং পেলাগাজি দিঘী-হেয়াঁকো সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাস, ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কে আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শাহাদাত হোসাইন বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে কার্যালয় ভুজপুর মৌজায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উপজেলার নাম যখন ফটিকছড়ি উত্তর, তখন অফিসও উত্তরাঞ্চলে হতে হবে। জনগণের যৌক্তিক দাবি মেনে না নিলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।

আরেক আন্দোলনকারী জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। মাত্র কয়েক কিলোমিটারের ব্যবধানে দুটি উপজেলা সদর রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এতে নতুন উপজেলা গঠনের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দপ্তর স্থানান্তর করতে হবে।

হরতালকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে পুলিশের একাধিক টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এনএইচ