বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ইসির ওয়েবসাইটে দেখা যায়, নিবন্ধিত দলগুলোর তালিকায় আওয়ামী লীগের নামের পাশে আবারও ‘নৌকা’ প্রতীক ফিরে এসেছে। তবে কিছুক্ষণ পরই সেটি আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। অথচ বুধবার সকালেই প্রতীকটি ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, এবং বিষয়টি নিয়ে ইসির পক্ষ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়।
বুধবার সন্ধ্যায় ওয়েবসাইটে নৌকা প্রতীক ফেরত আসলেও তা আবার রাতেই অদৃশ্য হয়। এই রকম অদ্ভুত ‘আসা-যাওয়া’র ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে গত দুই দিনে।
নির্বাচন কমিশনের সিস্টেম অ্যানালিস্ট মামুনুর হোসেন বলেন, ডিভাইসের ক্যাচ (cache) সমস্যা বা দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগের কারণে এমন বিভ্রান্তি হতে পারে। আমাদের সার্ভারে চেক করে দেখা গেছে, যেভাবে প্রতীক মুছে ফেলা হয়েছিল, সেটি এখনও সেভাবেই আছে। তবে এ ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে ওয়েবসাইটের ক্যাশিং পলিসিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
বুধবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নিবন্ধন স্থগিত হওয়া আওয়ামী লীগের প্রতীক ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বিভ্রান্তি এড়াতে। তবে প্রতীকের তফসিলে ‘নৌকা’ থাকছে, অন্য কেউ এটি ব্যবহার করতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, গত ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। এরপর বুধবার সকালে ইসির ওয়েবসাইট থেকে দলটির নাম, প্রতীক ও নিবন্ধনের তথ্য সরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে ওয়েবসাইটে বারবার ‘নৌকা’র এমন রহস্যময় উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতি সাধারণ মানুষ ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—এটি কি কারিগরি ত্রুটি, নাকি অন্য কোনো প্রভাবের প্রতিচ্ছবি?
এনএইচ