আজ (বুধবার) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদকে এ বিষয়ে চিঠি দেয় সুজন। ইসিকে দেওয়া চিঠিতে সুজন উল্লেখ করে, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতোমধ্যে কিছু প্রার্থীর আয়কর রিটার্নের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা তারা সংগ্রহ করেছেন। তবে, গবেষণার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য অবশিষ্ট প্রার্থীদের আয়কর রিটার্ন এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের তথ্য পেতে কমিশনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে সংগঠনটি।

ইসি সচিবকে দেওয়া ওই চিঠিতে বদিউল আলম মজুমদার আরও জানান, সুজন নির্বাচনের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের গবেষণাধর্মী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য এবং সেসব তথ্যের বিশ্লেষণ সুজনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা হচ্ছে।

চিঠিতে আইনি বাধ্যবাধকতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে আরও বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ১২ এর ৩-খ এবং ৪৪ এর ক-ক-২ ধারা অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সর্বশেষ করবর্ষের আয়কর রিটার্নের অনুলিপি জমা দেওয়া সব প্রার্থীর জন্যই বাধ্যতামূলক। আর এই তথ্যের ভিত্তিতেই নির্বাচন ও প্রার্থীদের হলফনামা নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা করতে চায় সংগঠনটি।

এমএম