মানববন্ধন থেকে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত টানা তিনদিন ‘ব্যান ফ্যাসিস্ট ক্যাম্পেইন’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। মানববন্ধন থেকে আগামী ৩৬ জুলাইয়ের (৫ আগস্ট) আগেই আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ‘জুলাই ঐক্য’র নেতারা।
বুধবার (৭ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রায় ৫০এর অধিক বিভিন্ন মতাদর্শের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাধারণ ছাত্রজনতা উপস্থিত ছিলেন এই মানববন্ধনে।
মানববন্ধনে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদী বলেন, আগামী ‘৩৬ জুলাই’র মধ্যে জুলাই গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার করতে হবে।পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচার করতে হবে। জুলাই ঐক্য কোনো রাজনৈতিক দল নয়।
জুলাই অভ্যুত্থানে আহত বাবু এমদাদ বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, ২০১৩ সালে শাপলা হত্যাকাণ্ড, ২০২১ সালে মোদিবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ। আমরা এ জঙ্গি সংগঠনের বিচার চাই। আমরা বাংলাদেশপন্থিরা যতদিন বেঁচে আছি, জঙ্গিদের কোনো সংগঠন বাংলাদেশে হতে দেব না।
জাগ্রত জুলাইয়ের শামিম মাহদি বলেন, হাজারো শিক্ষার্থীর রক্তের সঙ্গে বেইমানি জুলাইয়ের ছাত্র-জনতা মেনে নেব না। আগামী জুলাইয়ের আগে যদি নিষিদ্ধ করা না হয়, তাহলে আমরা পুনরায় জুলাই জাগ্রত করে তুলব। আমরা আশ্চর্য হই, জুলাইয়ে শহিদ ভাইয়ের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে মেয়ে ধর্ষণের শিকার হন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, আওয়ামী লীগের হাতে খুনের রক্ত লেগে আছে। তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে।
মানববন্ধনের উদ্বোধনী বক্তব্যে সংগঠক এবি জুবায়ের আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে জোর বক্তব্য রাখেন এবং প্রোগ্রামটি সঞ্চালনা করেন মাহমুদ ফানতাসির এবং পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে আগামী তিনদিন ‘ব্যান ফ্যাসিস্ট ক্যাম্পেইন’ দেশব্যাপী সকল অফিস,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ে ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও বিচার এবং জুলাই সনদের দাবিতে’ গণসংযোগ কর্মসূচির ঘোষণা করেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
মানববন্ধনে, আপ বাংলাদেশ, ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই রেভ্যুলিশনারি জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স, জুলাই রেভ্যুলিশনারি অ্যালায়েন্স, রক্তিম জুলাই, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশসহ ৫০ এর অধিক সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এনএইচ