বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী ঘাটতি কমানো এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রসারে সরকারের কৌশল ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।সংবাদের মূল বিষয়বস্তু: সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সার্বিক সক্ষমতা: বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য ঘাটতি কেবল একটি নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে আলাদা করে না দেখে সামগ্রিকভাবে দেখা উচিত।

বিশ্বের বহু দেশেই আমদানির তুলনায় রপ্তানি কম হয়। তাই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে মূল লক্ষ্য হতে হবে সার্বিক রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি। সম্ভাবনাময় খাতের বিকাশ: রপ্তানি বৃদ্ধি ও বৈচিত্র্যায়নের জন্য সরকার চামড়া, পাট, জাহাজ নির্মাণ, হালকা প্রকৌশল এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে চিহ্নিত করেছে।

বর্তমান বাণিজ্য ঘাটতির চিত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি আরও কিছু বেড়েছে। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় পৌনে ১৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ মাত্র ১.৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, আর বাকি বড় অংশই ভারত বাংলাদেশে রপ্তানি করে থাকে।

আমদানির ক্ষেত্রে বেসরকারি খাত: মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকার সরাসরি কোনো পণ্য আমদানি করে না; মূলত বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা সুবিধা ও কম মূল্যের ভিত্তিতে বাজার পছন্দ করে থাকেন। গত দুই বছরে দুদেশের সীমান্ত ও বাণিজ্যে কিছু বাধা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। টাস্কফোর্স গঠন ও দ্বিপক্ষীয় পদক্ষেপ: সম্প্রতি একটি ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর ও 'ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট'-এর উদ্দেশ্যে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।

এতে বাংলাদেশ ইতিবাচক আগ্রহ দেখিয়েছে এবং সমন্বিত প্রচেষ্টায় ভারতের বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এমএম