বুধবার নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী, এসি ল্যান্ড ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অফিসের সরকারী কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এদিন সকাল ১০ টায় কর্মকর্তাগণ তাদের বিশাল বহর নিয়ে ঢালচর নামক স্থানে বনভোজনে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসান মোঃ মাইনউদ্দিন, ভূমি অফিসের এসি ল্যান্ড মোঃ মামুন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ও ভুমি অফিসের অফিস সহকারী আব্দুল মুকিতসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপজেলার ৫ তহসিলদারকে নিয়ে উপজেলা সংলগ্ন ঢালচরে বনভোজনে গিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা পরিষদের সমাজ সেবাসহ অপর অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, গত মঙ্গলবার বিকালে নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে এসি ল্যান্ড, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ অপর কর্মচারীরা ঢালচর বনভোজনে যেতে রুদ্ধধার বৈঠক করেন।

বৈঠকে ৩ অফিসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী বুড়িরচর ও জাহাজমারা ইউনিয়নের ইনচার্জ তহসিলদার আবুল কাশেম, চরক্লার্ক ও তমরুদ্দি ইউনিয়ন সহ অপর ৫ তহসীলদারদের কাছে বনভোজনে যেতে কয়েক লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে।

ওই চাঁদা দিয়ে গতকাল বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসি ল্যান্ড ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ বিশাল এক বহর নিয়ে সরকারী অনুমতি না নিয়েই সরকারী কার্যক্রম বন্ধ রেখে ঢালচর বনভোজন করতে চলে যায়।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, খতিয়ান করতে আগত লোকজন ও নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রয়োজনীয় কাজে এসে দিনভর শতশত লোক কাজ না করতে পেরেই ঘোরাফেরা করে হয়রানি হয়ে বাড়িতে ফিরে যায়।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসান মোঃ মইনউদ্দিনকে তার মোবাইল ০১৭১১৯৪২২৫৫ নম্বরে না পেয়ে তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মামুন জানান, বনভোজন যেতে সব সময় জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তার অনুমোদন প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি মানুষের কর্মের পাশাপাশি বিনোদনেরও প্রয়োজন রয়েছে।

এমকে