যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের প্রকাশিত এ সূচকে বিশ্বের ১৬৩ দেশের এক হাজার শহরকে পাঁচটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এগুলো হলো—অর্থনীতি, মানবসম্পদ, জীবনযাত্রার মান, পরিবেশ ও শাসনব্যবস্থা।
সূচকে বাংলাদেশের মোট আটটি শহর স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার অবস্থান সবচেয়ে ভালো হলেও শীর্ষ ৫০০-তে ঢুকতে পারেনি রাজধানী।
বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর অবস্থানও উল্লেখযোগ্যভাবে নিচের দিকে রয়েছে। রাজশাহী ৭৭৯তম অবস্থানে থেকে এক বছরে ৬৬ ধাপ পিছিয়েছে। চট্টগ্রাম ১৪ ধাপ নেমে ৭৬৩তম অবস্থানে রয়েছে।
এ ছাড়া খুলনা ৮১১তম, সিলেট ৮৩৪তম, কুমিল্লা ৮৮৩তম, ময়মনসিংহ ৮৯৫তম এবং বগুড়া ৯২৬তম অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লার অবস্থানে গত বছরের তুলনায় কোনো পরিবর্তন হয়নি।
অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের সূচক অনুযায়ী, অর্থনৈতিক দিক থেকে ঢাকার অবস্থান ২৮৬তম এবং মানবসম্পদের ক্ষেত্রে ১৭৮তম। তবে পরিবেশ, জীবনযাত্রার মান ও নগর শাসনসহ অন্যান্য সূচকে দুর্বল অবস্থানের কারণে সামগ্রিক র্যাংকিংয়ে রাজধানী পিছিয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, ঘনবসতি, বায়ু ও পরিবেশদূষণ, অপর্যাপ্ত নাগরিক সুবিধা এবং অপরিকল্পিত আবাসন বাংলাদেশের শহরগুলোর জীবনমানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এর সঙ্গে নগর এলাকায় ‘আরবান হিট আইল্যান্ড’ পরিস্থিতিও শহরগুলোর বসবাসযোগ্যতা কমিয়ে দিচ্ছে। নগর ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পরিকল্পনা, টেকসই পরিবেশ এবং নাগরিক সেবার মান উন্নত করা না গেলে আন্তর্জাতিক সূচকে বাংলাদেশের শহরগুলোর অবস্থান ঘুরিয়ে দাঁড় করানো কঠিন হবে।
এস











