এই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও যোগাযোগ সহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিস্তৃত পরিসর নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোর দেওয়া হয় যে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ককে পথ দেখাবে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে উভয় পক্ষ অভিন্ন ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশ-চীন কমিউনিটি যৌথভাবে গড়ে তুলতে ব্যাপক সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসন, মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট করিডোর, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়ে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনা করেন।

বাংলাদেশ-রাশিয়া দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সময়, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান। উভয় পক্ষই জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে।

পরে বিকালে মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও-কে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অ্যামিটি অ্যান্ড কো-অপ্রিয়ন চুক্তির ৫০তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

এমএম