পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি পুলিশ বাহিনীর সাবেক, বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার ফলে জনগণের মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন জনগণ গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি নিরাপদ রাষ্ট্র প্রত্যাশা করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে উঠলে দায়িত্ব পালন আরও সহজ ও কার্যকর হয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য একটি দক্ষ, পেশাদার ও আধুনিক পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। এ জন্য পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের পুলিশের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তারা দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।
তিনি মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদক বিস্তার রোধে পুলিশের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে তিনি বলেন, এ আয়োজন জনগণের আস্থা অর্জনের নতুন অঙ্গীকারের প্রতীক হয়ে উঠুক।
এস