বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে হাফসা এবং শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে শাহীনের, জাতীয় বার্নের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, দগ্ধ শাহীন একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। পরিবার নিয়ে নতুন বাজার ১০০ ফিট রোড ছয়তলা ভবনের নিচ তলায় থাকতেন। ভোরের দিকে বিকট শব্দে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হয়। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্নে নিয়ে আসলে ভর্তি দেওয়া হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ভাটারা এলাকা থেকে দগ্ধ হয়ে আমাদের এখানে তিনজন এসেছিল, তাদের মধ্যে শাহিন আজ সকাল ৬টায় আইসিইউতে মারা যান, তার শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল ও তার ভাগনি হাফছা গতরাত ১২টার দিকে আইসিইউতে মারা যান। তার শরীরে ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এই ঘটনায় শাহীনে স্ত্রী ফাহিমা ভর্তি রয়েছে, তার শরীরে ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলেও জানান তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে এই ঘটনা ঘটে, পরে দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরী বিভাগ নিয়ে আসা হয়।

এনএইচ