তিনি জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। ফলে ২৫ লাখ আসনের মধ্যে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি আসন শূন্য থাকবে।
সোমবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। এর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন।
ফলাফল তুলে ধরেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ ছাত্রের তুলনায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯৮২ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন। একইভাবে ছাত্রের চেয়ে ১১ হাজার ৪০১ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। এবার পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১৯ হাজার ৯ জন।
এ বছর মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০৩টি এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ২০১টি বেড়েছে।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫৭টি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৮টি। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠান ২২৬টি, গত বছর ছিল ৮৬টি। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯টি; ২০২৫ সালে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না।
এ ছাড়া একটি পরীক্ষার কেন্দ্রে ৪০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৫৪ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৮ জন। পাসের হার ৮৮ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠান ছিল দুটি এবং শূন্য শতাংশ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠান একটি। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা শূন্য। কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৯টি।
এমএম