টাঙ্গাইলে যমুনার পানি ১৩.৮২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫২ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙ্গন। অব্যাহত ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ গোবিন্দাসী গরুর হাট, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিংনা-যোকারচর বাঁধ, দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুই'শ বছরের পুরোনো একটি মন্দির।
স্থানীয়ভাবে বালির বস্তা ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। ভুয়াপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম, মাদ্রাসা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী ৬টি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকায় এখন পর্যন্ত কোন ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেনি। বন্যা দুর্গতদের মাঝে এ পর্যন্ত ১৫০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভাঙ্গন রোধে শনিবার থেকে জিও ব্যাগ ফেলাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ। ভাঙ্গন ঠেকানো না গেলে বঙ্গবন্ধুসেতুর গাইউবাঁধ হুমকির মধ্যে পড়তে পারে বলেও জানান তিনি।
ঢাকা, ৩০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





