ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক সোমবার (১০ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
নতুন তালিকায় রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০১টি গির্জা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
কে কত সম্মানী পাবেন
নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক মাসে ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন।
মুয়াজ্জিন, সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা করে। আর মসজিদের খাদেমদের মাসিক সম্মানী ২ হাজার টাকা।
সম্মানীর অর্থ উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে সরাসরি পাঠানো হবে।
বরাদ্দ ১১০০ কোটি টাকা
ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানীর জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার আওতায় আসবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হবে।
এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ধর্মীয় নেতাকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেওয়া হয়।
এস