সোমবার (১০ আগস্ট) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরার নাইশা মাধ্যমিক স্কুল থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সাতজনের সবাই ফেল করেছে। আশাশুনির গোদারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শ্যামনগরের সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দেবহাটার বাবুরাবাদ ধাপুখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকেও চারজন করে অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেনি।
এ ছাড়া খুলনার ডুমুরিয়ার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খালিশপুরের আসমা সরোয়ার ইসলামিক হাই স্কুল এবং বাগেরহাটের শরণখোলার ডি. এন. একতা গার্লস হাই স্কুলের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি।
যশোরের মণিরামপুরের চান্দুয়া সমাসকাটি গার্লস হাই স্কুল, হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক গার্লস স্কুল, শার্শার সারাতলা জুনিয়র গার্লস হাই স্কুল এবং মুক্তিযোদ্ধা জি. কে. জি. এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়েও শূন্য পাসের ঘটনা ঘটেছে।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশ
শূন্য পাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে জানিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস. এম. হোসেন আলী বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, তদন্তে কোনো প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক দুর্বলতা বা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে।
এস