রোববার (১৭ মে) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে নিয়মিত সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চলতি মাসের ১ মে থেকে পরিচালিত সাইবার পেট্রোলিংয়ে এসব ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়।

সিআইডি জানায়, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে ৮৭৯টি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট এবং ৪৩টি ব্যাংক হিসাবও শনাক্ত করা হয়েছে। এসব তথ্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতাসহ মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, জুয়াড়িরা বিকাশ, রকেট, নগদ, বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্রিপ্টো ওয়ালেট ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করতেন। পরে সেই অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, তারা গত প্রায় ছয় মাস ধরে প্রতিদিন আনুমানিক ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত অবৈধ লেনদেন করতেন।

সিআইডি আরও জানায়, অভিযানে ১৩টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিম কার্ড এবং ভুয়া এজেন্ট সিম পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কুরিয়ার রশিদ জব্দ করা হয়েছে।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এবং আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে বলেও জানানো হয়।

এস