সংসদে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একজন জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলা মানে এ দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা।’

হুমায়ুন কবির বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন তার ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী এবং চার বছর বয়সী একটি শিশুকে নিয়ে ইতালির ভেনিসের সৈকতের কাছের একটি পার্কে হাঁটছিলেন। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীরা কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আজ সকালে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি, উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ইতালীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এ বিষয়ে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। আজ বিকেলে আমি মিস বাঁধনের সঙ্গেও কথা বলেছি এবং এ বিষয়ে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছি।’

তিনি জানান, ঘটনার পরপরই ভেনিসের স্থানীয় পুলিশ দ্রুত সাড়া দিয়েছে। রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিলানে বাংলাদেশের কনস্যুলার জেনারেল বাঁধনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের কনস্যুলার সহায়তা ও সহযোগিতা দিচ্ছেন।

বাঁধন ইতালির পুলিশ ও বাংলাদেশ দূতাবাসে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করবেন জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমাদের দূতাবাস অত্যন্ত জোরালোভাবে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করবে।’

তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের দেশের অর্থসম্পদ লুটপাট করে এবং মানুষকে হত্যা করে বিদেশে পালিয়ে গেছে, সেইসব সন্ত্রাসীদের ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনতে বাংলাদেশ বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।’

সংসদের মাধ্যমে বাঁধনের পরিবারকে আশ্বস্ত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

এমএম