গাইবান্ধায় প্রকাশ্য গুলি করে এক পল্লী চিকিৎসককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় ছুরিকাঘাতে সুজন মিয়া নামে এক যুবক মারাত্মক আহত হয়েছেন।
নিহত পল্লী চিকিৎসক মাহবুবুর রহমান গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের ইব্রাহীম আলী সরকারের ছেলে।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গাইবান্ধা-নাইকাইহাট সড়কের মনোহরপুর ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সুজন মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালুয়ায়। আহত সুজনকে আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পল্লী চিকিৎসক মাহবুবুর রহমান ও সুজন মোটর সাইকেল যোগে বিকেলে নাকাইহাট যাচ্ছিল। মনোহরপুর ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় পৌছিলে তিনটি মোটর সাইকেলে ৬ সশস্ত্র যুবক তাদের পথ রোধ করে মোটর সাইকেল থামায়।
সশস্ত্র যুবকরা পল্লী চিকিৎসক মাহবুবুর রহমানের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় তারা সুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে সশস্ত্র যুবকরা অস্ত্র উচিয়ে ফাঁকা গুলি করতে করতে মোটর সাইকেল নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত সুজনকে প্রথমে গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতাল ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতের ছোটভাই সাহেব উদ্দীনের দাবি, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মাহাবুব হোসেনের সাথে তাদের আত্মীয় স্বজনদের মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। তারই জের ধরে প্রতিপক্ষ প্রকাশ্যে গুলি করে মাহাবুব হোসেন ডিপটিকে হত্যা করেছে।
গাইবান্ধা পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, নিহতের সাথে তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা সম্ভব হবে। পুলিশ সন্ধ্যায় নিহত পল্লী চিকিৎসক মাহবুবুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এসএইচ





