[b]ঢাকা: [/b]সরকার চাইলে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে যে কোনো সময় আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব উন্নয়ন সংস্থা জাইকা।
সংস্থাটির নব-নিযুক্ত প্রধান প্রতিনিধি মিকিও হাতায়েদা শনিবার বলেন,পদ্মা সেতু প্রকল্পের গুরুত্ব অনুধাবনের কারণে তারা এ প্রকল্পের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
সরকার এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে আমি আলোচনায় বসার জন্য প্রস্তুত রয়েছি,রাজধানীতে জাইকা আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
বিদায়ী আবাসিক প্রতিনিধি তাকাও তোদাকে বিদায় জানাতে এবং তার জায়গায় আসা মিকিও হাতায়েদাকে সংবর্ধনা জানাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থয়ানের অনুরোধ প্রত্যাহার করার পর গত বছর ফেব্রুয়ারিতে এ প্রকল্প থেকে সরে যায় জাইকা।
দেশের সবচেয়ে বড় এই অবকাঠামো প্রকল্পে প্রধান অর্থ দাতা ছিল বিশ্ব ব্যাংক, ২৯০ কোটি ডলারের এ প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারই দেয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল তাদের।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে সহযোগী অর্থদাতা হিসেবে জাইকা ৪০ কোটি ডলার,এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৬১ কোটি ডলার এবং জেদ্দাভিত্তিক ইসলামিক ডেভলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা ছিল। প্রকল্পে অবশিষ্ট ব্যয় বহন করার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের।
‘দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ এনে এই প্রকল্পে অর্থায়ন স্থগিত ও তদন্ত শুরু করে বিশ্ব ব্যাংক। এক বছর দর কষাকষির পর বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে অর্থায়নের অনুরোধ প্রত্যাহার করে সরকার।
পরে নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কিন্তু নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন অনেক বিশেষজ্ঞ।
জাইকার নবনিযুক্ত প্রধান হাতায়েদা সংস্থাটির দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের উপপরিচালক হিসেবে টোকিও সদরদপ্তরে কাজ করতেন।
তিনি বলেন, জাইকা সদরদপ্তরের নির্দেশে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সঙ্গে তিনি আগে থেকেই নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এশিয়ান হাইওয়ে চালুর জন্য এই প্রকল্পটিকে বিশেষ ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
“আর এ কারণেই আমরা এ প্রকল্প নিয়ে আগ্রহী।”
তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলতে চাননি তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্ব ব্যাংকের টানাপোড়েন চলাকালে বাংলাদেশ সরকারকে নানাভাবে সহযোগিতা করার জন্য জাইকার বিদায়ী প্রধান তাকাও তোদাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
রিজভী বলেন, “আমরা (সরকার ও জাইকা) অন্যান্য সহযোগীদের বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি, কিন্তু প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।”
২০০৯ সালের জুন মাসে ঢাকায় জাইকার প্রধান হিসেবে যোগ দেন তাকাও তোদা।
আগামী ২৪ জানুয়ারি তিনি টোকিও ফিরে যাবেন। এরপর সংস্থাটির সদরদপ্তরে মানব সম্পদ বিভাগে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি।
ভবিষ্যতে কোনো এক সময় ওই বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ঢাকায় জাইকার নতুন প্রধান হাতায়েদা একটি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি ওভারসিজ ইকোনোমিক কো-অপারেশন ফান্ডের (ওইসিএফ) হয়ে ফিলিপাইন ও পাপুয়া নিউগিনিতে অবকাঠামোগত প্রকল্পের কাজে যুক্ত হন।
সরকার চাইলে পদ্মায় ফিরবে জাইকা
ঢাকা: সরকার চাইলে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে যে কোনো সময় আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব উন্নয়ন সংস্থা জাইকা। সংস্থাটির নব-নিযুক্ত
এজেন্ডাতেই ছিল না বন্ধ মৈত্রী-বন্ধন-মিতালী চালুর সিদ্ধান্ত নেই
প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ থাকা বাংলাদেশ-ভারতের আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে ৩৮তম আন্তঃসরকার রেলওয়ে বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এমনকি বন্ধ থাকা ট্রেনগুলো চালুর বিষয়টি বৈঠকের এজেন্ডাতেও ছিল না।
অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ‘রাষ্ট্র মেরামতই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ’
সরকারের সামনে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার এবং দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলাসহ বড় বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
মাটি সরানো পরিকল্পিত, পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় কোনো ঝুঁকি নেই: মন্ত্রী
পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণের ফলে রেললাইন বা সেতুর কাঠামোর কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর বরাদ্দ কত, সংসদে জানালেন অর্থমন্ত্রী
পাটুরিয়া-দৌলতিদিয়া দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিতে বাজেটে ৪ কোটি ৫০ লাখ বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রার ঈদের আগের চার দিনে পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১৮ কোটি ৪ লাখ ৮ হাজার ২০০ টাকা।
















