চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে ১৩ উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলারই বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৭টিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও ৫টিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সোমবার রাতে রিটার্নিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এসব ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
[b]আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীরা:[/b]
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ২৯ হাজার ৪২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নূরে আলম সিদ্দিকী পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৪১ ভোট।
রংপুর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাসিম জামান ববি ১৫ হাজার ৫৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ফারুক মিয়া পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০৭ ভোট।
বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান মিন্টু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধা। সর্বশেষ প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী মনিরুজ্জামান মন্টু পেয়েছেন ৩২,২০০ ভোট এবং আক্কাস মৃধা পেয়েছেন ৮৪২২ ভোট।
ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট তানভীর ভূঁইয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের আব্দুল মতিন চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল আজিজ সরকার।
কুমিল্লার আদর্শ সদরে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রউফ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ফজলুল হক।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ১ লাখ ৩৮ হাজর ৮৬৫ ভোট পেয়েছে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম স্বপন পেয়েছেন ৯ হাজার ২৩৬ ভোট।
[b]বিএনপি সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন:[/b]
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মিঠু ৩৯ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনোয়ারুল হক মায়া ৩৬ হাজার ৫৩১ ভোট।
টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কাজী শহিদুল ইসলাম ২৭ হাজার ২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলাম পেয়েছেন ২০ হাজার ৭২৩ ভোট।
গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন ২৪ হাজার ৭৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেলিম রেজা পেয়েছেন ১০ হাজার ১১৫ ভোট।
ময়মনসিংহের তারাকান্দী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ আলী। প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার (হেলিকপ্টার) পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৪১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আশরাফ আলী খান (আনারস) পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৩৫ ভোট।
এছাড়া রংপুরের পীরগাছায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আফসার আলী বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৪৫ হাজার ৪২৩ ভোট। নিকটতম জাতীয়পার্টির আবু নাছের মো: মাহবুব রহমান ৩৭ হাজার ৯৭২ ভোট।
[b]আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী:[/b]
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু ২২ হাজার ৪৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল আলম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৪২ ভোট।
শেষ ধাপে রংপুর জেলার সদর, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া ও পীরগাছা উপজেলা, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, বরগুনার আমতলী, রাজবাড়ীর কালুখালী, গাজীপুর সদর, টাঙ্গাইলের বাসাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, কুমিল্লার আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠি হয়।
এছাড়া ময়মনসিংহের তারাকান্দী উপজেলায় শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সকাল ৮ থেকে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
[b]ঢাকা, ১৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ //জেডআই[/b]
শ্রেণীহীন
আ.লীগ-৭, বিএনপি-৫ ও বিদ্রোহী ১
চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে ১৩ উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলারই বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৭টিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও ৫টিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সোমবার রাতে রিটার্নিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এসব ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।





