ছাত্রলীগ নেতা নোমানকে গুলি করে হত্যার জের ধরে প্রতিপক্ষের গুলিতে জাহাঙ্গীর নামে এক যুবদলকর্মী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় ছাত্রলীগ ও বিএনপি নেতারা এ ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করছেন।
বোরবার রাত ১০টা এবং সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা নোমানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে এবং জাহাঙ্গীরকে নোয়াখালীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নোমান চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এবং জাহাঙ্গীর ওই ইউনিয়নের যুবদলকর্মী ও একই এলাকার চৌধুরী মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, রাতে বটতলা এলাকায় ক্রিকেট খেলা দেখছিল ছাত্রলীগ নেতা নোমান। এসময় মোটরসাইকেলে করে ৮ থেকে ১০ জন সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে জাহাঙ্গীর হত্যা ঘটনায় স্থানীয়রা জানায়, রাতে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সহ সভাপতি নোমানকে সন্ত্রাসীরা গুলি হত্যা করে। এ ঘটনার জের প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা ওই ইউনিয়ন যুবদলকর্মী জাহাঙ্গীরকে গুলি করে। পরে নোয়াখালীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি ইকবাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।  
[b]ঢাকা, ১৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এনএস[/b]