দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। তাই মামলা দায়ের এবং প্রত্যাহার করা হয় রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এছাড়া দুদকের তদন্তেও হস্তক্ষেপ রয়েছে সরকারের।
টিআইবির এক সাম্প্রতিক গবেষণার প্রতিবেদনে এ সব তথ্য তুলে ধরা হয়।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর হোটেল অবকাশে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল: বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিবেদন পাঠ শেষে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গবেষণায় যেসব তথ্য উঠে এসেছে তার আলোকেই এ প্রতিবেদন করা হয়েছে।
গত বুধবার দুদক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু টিআইবির সমালোচনা করে বলেন, টিআইবি বিদেশ থেকে টাকা এনে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে তথাকথিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের এসব কাজের স্বচ্ছতা কি? সময় আসবে টিআইবির মুখোশ উন্মোচন করা হবে।
এর একদিন পরই টিআইবি তাদের গবেষণা প্রতিবেদনে কমিশনারদের নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির বিদেশি অর্থের স্বচ্ছতার বিষয়ে জানতে চাইলে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমাদের ওয়েবসাইটে আমাদের আয় ব্যয়ের হিসাব রয়েছে।
প্রতিবেদনে দুদক ছাড়াও নির্বাহী বিভাগ, জাতীয় সংসদ, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের সফলতা ও ব্যর্থতার দিক তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদন পাঠ করেন টিআইবি রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের শাম্মী লায়লা ইসলাম ও সাধন কুমার দাস।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন খান।
[b]ঢাকা, ২৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ হয় দুদক কমিশনার
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। তাই মামলা দায়ের এবং প্রত্যাহার করা হয় রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এছাড়া দুদকের তদন্তেও হস্তক্ষেপ রয়েছে সরকারের। টিআইবির এক সাম্প্রতিক গবেষণার প্রতিবেদনে এ সব তথ্য তুলে ধরা হয়





