ধনীকে আরো ধনী আর গরীবকে আরো গরীবে পরিণত করার ভিত্তিই মূলত সুদ। এই সুদ ভিত্তিক অর্থনীতি থেকে দূরে থাকতে চায় ইসলাম। তাই সুদ ভিত্তিক অর্থব্যবস্থার বিপরীতে ইসলাম চালু করেছে ইসলামী অর্থনীতি। যার মূল কথা হলো সুদ থেকে দূরে থাকা।
ইসলামী ব্যাংকিং এই ইসলামী অর্থব্যবস্থার একটি বাস্তব রূপ। বেশ কিছু নীতি বা পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ইসলামী ব্যাংকিং পরিচালিত হয়। এখানে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের কিছু নীতি বা পদ্ধতির পরিচয় তুলে ধরা হলো।
বাইয়ে মুবারাহাঃ
ইসলামী ব্যাংক যে সকল হালাল পদ্ধতিতে অর্থ বিনিয়োগ করে থাকে তর মধ্যে একটি হচ্ছে 'মুবারাহা' পদ্ধতি। মালামাল ক্রয়ের পর ক্রয়মূল্যের সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ যোগ করে তা পুণরায় বিক্রি করাকে ‘বাইয়ে মুবারাহা’ বলে।
বাইয়ে মুয়াজ্জালঃ
বাকিতে ক্রয় বিক্রয় করাকে ‘বাইয়ে মুয়াজ্জাল’ বলা হয়।
বাইয়ে সালামঃ
অগ্রীম মূল্য প্রদান এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ান্তে মাল হস্তান্তরের শর্তে যে ক্রয় বিক্রয় অনুষ্ঠিত হয় তাকে ‘বাইয়ে সালাম’ বা অগ্রীম ক্রয় বিক্রয় বলা হয়। এটা অনেকটা ‘বাইয়ে মুয়াজ্জালের বিপরীত। অর্থাৎ বাইয়ে মুয়াজ্জালে পণ্য আগে সরবরাহ করা হয় ও মূল্য পরে পরিশোধ করতে হয়,আর বাইয়ে সালামে মূল্য অগ্রীম পরিশোধ করতে হয় এবং পণ্য নির্দিষ্ট সময়ান্তে সরবরাহ করা হয়।
ইসতিসনাঃ
অর্ডার অনুযায়ী কোন বস্তু তৈরি ও বিক্রি করার চুক্তিকে ইসতিসনা বলে।
মুদারাবাঃ
‘মুদারাবা’ এমন এক ব্যবস্থা পদ্ধতি যেখানে এক ব্যক্তি মূলধন প্রদান করবে আর অপর ব্যক্তি তার শ্রম ,মেধা ও দাতা নিয়োজিত করে সে মূলধন দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করবে,ব্যবসায় লাভ হলে চুক্তি অনুযায়ী আনুপাতিক হারে উভয়ের মধ্যে বন্টিত হবে আর লোকসান হলে তা মূলধনদাতাকে বহন করতে হবে এবং ব্যবসা পরিচালনাকারী তার শ্রমের কোন বিনিময় পাবে না। মূলধন দাতাকে বলা হয় ‘সাহিবুল মাল’। আর ব্যবসা পরিচালনাকরীকে বলা হয় মুদারিব। ‘মুদারাব’ চুক্তিতে কোনো পন্যের জন্য লাভ নির্দিষ্ট করা যাবে না। কারণ মুদারাবা হচ্ছে লাভ লোকসানে অংশীদারি ব্যবসা। ব্যবসায় লাভ হলে তা আনুপাতিক হারে উভয়ের মধ্যে বন্টিত হবে।
মুশারাকাঃ
অংশীদারি ব্যবসা পদ্ধতিটি ক্রয় বিক্রয় পদ্ধতির মত নয়। অংশীদারি পদ্ধতিকে শরীয়তে মুশারাকা বলা হয়। এ ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অংশীদারির ভিত্তিতে মূলধনের যোগান দেয়।
ইজারাঃ
নির্দিষ্ট সেবা এবং প্রতিদান/ মূল্যের বিনিময়কে ইজারা বলা হয়।
শিরকাতুল মিলকঃ
কোন রূপ চুক্তি লাভ- লোকসানের ভিত্তিতে ব্যবসা করার চুক্তি ব্যতিত দুই বা ততোধিক ব্যক্তির কোন বস্তুতে অংশীদার বা মালিক হওয়াকে ‘শিরকাতুল মিলক’ বলা হয়।
মুনাফা: ক্রয় –বিক্রয় বা ব্যবসার ফল স্বরূপ অর্জিত অর্থ বা সম্পদ।
সুদঃ
সুদ হলো ঋণ দিয়ে সময়ের উপর ধার্যকৃত মূলধনের অতিরিক্ত অর্থ বা সম্পদ।
নিয়ত ও কর্মপদ্ধতির গুরুত্বঃ
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের বাহ্যিক আকৃতি ও ধন –সম্পদের দিকে তাকান না,তিনি তাকান তোমাদের অন্তর ও কর্মের দিকে। (মুসলিম)
আর ইসলামী ব্যাংকের নিয়ত ও কর্মপদ্ধতি ও অত্যন্ত পরিস্কার। আল্লাহ সুদ কে হারাম করেছেন আর ক্রয় বিক্রয়কে হালাল করেছেন।
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের কিছু কথা
ধনীকে আরো ধনী আর গরীবকে আরো গরীবে পরিণত করার ভিত্তিই মূলত সুদ। এই সুদ ভিত্তিক অর্থনীতি থেকে দূরে থাকতে চায় ইসলাম। তাই সুদ ভিত্তিক অর্থব্যবস্থার বিপরীতে ইসলাম চালু করেছে ইসলামী অর্থনীতি। যার মূল কথা হলো সুদ থেকে দূরে থাকা।
৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএমসহ বিভিন্ন সেবা বন্ধ
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা আরও জোরদারের লক্ষ্যে সিস্টেম মাইগ্রেশনের কাজ চলছে। এ কারণে একসঙ্গে ৩০টি ব্যাংকের বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। কিউক্যাশ নেটওয়ার্কের আওতাধীন এসব ব্যাংকের এটিএম, ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিন (সিআরএম), পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) এবং কিছু কার্ড ও লেনদেনসেবা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ইবি টাওয়ারের সামনে নৈরাজ্যকারীদের তাণ্ডব ব্যাংক কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের ওপর হামলা, আহত বহু
রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও সাধারণ গ্রাহক সেবা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে হামলা প্রদেয় নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী চক্রের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
অ্যাকাউন্ট হ্যাক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় চীনা নাগরিকসহ আটক ২
যশোরে ইসলামী ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক চীনা নাগরিকসহ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
৫০০ কোটি টাকা আত্মসাত চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের অভিযোগ
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট বেঞ্চ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারি
ইসলামী ব্যাংকে এস আলম গ্রুপের শেয়ার কেলেঙ্কারি-সংক্রান্ত রিটের শুনানি করতে বিব্রত বোধ করেছেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। ফলে মামলাটি নতুন বেঞ্চে শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।
















