[b]
চৌমুহানী:[/b] বাংলাদেশ রেলওয়ের চৌমুহনীতে অবস্থিত ষ্টাফ কোয়াটার গুলো দীর্ঘদিন থেকে ভেজাল তেলের কারখানা,ব্যবসায়ীদের গুদাম,মাদক ব্যবসা ও অসামাজিক কার্যকলাপের নিরাপদ স্থানে পরিনত হয়েছে।
চৌমুহনী রেল স্টেশন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়,লাকসাম- নোয়াখালী রেল লাইনের লাকসাম জংশন ছাড়া চৌমুহনী সবচেয়ে বড় স্টেশন। বৃটিশ আমলে উক্ত লাইন স্থাপনের সময়েই চৌমুহনীতে স্টেশন মাষ্টার,সহকারী স্টেশন মাস্টারসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির ২০ টি কোয়াটার নির্মান করা হয়েছিল। চৌমুহনী বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় এক সময় চট্রগ্রাম বিভাগে বানিজ্যিক দিক দিয়ে চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন প্রথম হয়েছিল। দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে কোয়াটার গুলোতে রেলওয়ের স্টাফরা থাকেনা। তাদের নামে বরাদ্ধ নিয়ে অধিক ভাড়ায় বহিরাগতদের নিকট ভাড়া দিয়েছে।এ সুযোগে পুরো রেলওয়ে কোয়াটার বহিরাগতদের দখলে চলে যায়।
চৌমুহনী রেল স্টেশন মাস্টার,সহকারী স্টেশন মাস্টার নিজেদের অফিস কক্ষে বাস করে। অন্যান্য স্টাফদের অনেকে স্থানীয় বিধায় বাড়ি থেকে যাতায়াত করে থাকে। পরে চৌমুহানী রেলওয়ে কোয়াটার হয়ে উঠেছে অপরাধের কেন্দ্র স্থল।
আরেকটি ব্যাপার হলো,বৃটিশ আমলে কোয়াটারগুলো নির্মান কালে প্রত্যেক কোয়াটারের সাথে খোলা পায়খানা নির্মান করেছিল। সে সব খোলা পায়খানা বর্তমানেও ব্যবহার হচ্ছে। খোলা পায়খানার দুর্গদ্ধে এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টির পানিতে ময়লা ড্রেনে মিলিত হয়ে পুরো শহর দূষিত করে তুলেছে।
এ ব্যাপারে চৌমুহনী রেল স্টেশন মাস্টারের সাতে যোগযোগ করলে তিনি,কোয়াটার সমূহে বহিরাগতদের অবস্থান এবং খোলা পায়খানার কথা স্বীকার করে জানান,ব্যাপারটির প্রতি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নজর না দিলে কোন কিনারা করা সম্ভব নয়।
শ্রেণীহীন
চৌমুহনী রেলওয়ে কোয়াটার অসামাজিক কাজের নিরাপদ স্থান
চৌমুহানী: বাংলাদেশ রেলওয়ের চৌমুহনীতে অবস্থিত ষ্টাফ কোয়াটার গুলো দীর্ঘদিন থেকে ভেজাল তেলের কারখানা,ব্যবসায়ীদের গুদাম,মাদক ব্যবসা ও অসামাজিক কার্যকলাপের নিরাপদ স্থানে পরিনত হয়েছে।





