[b]গাইবান্ধা:[/b]  জেলায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িতে ও  ভোট কেন্দ্র সংলগ্ন বাজারে অগ্নিসংযোগ করেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এতে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতার কারণে ভোট দিতে যাচ্ছেন না। নিরাপত্তা জোরদারে সদর আসনের বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি টহল অব্যাহত রয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলার সদর আসনের কমপক্ষে ৫ ইউনিয়নে ২০ টিরও বেশি ভোট কেন্দ্রে ভোটবাক্স ছিনতাই হয়েছে। সকালে ভোট বিরোধী বিক্ষুব্ধ বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীরা এই ভোট বাক্স ছিনতাই করে।
সকাল ১০টার দিকে সদরের লক্ষীপুর ইউনিয়নে ভোট বাক্স ছিনতাই হওয়ার ঘটনায় দফায় দফায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের সাথে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতিতে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় লক্ষীপুর ইউনিয়নের খামার গোন্দিপুর গ্রামের একতা বাজার সংলগ্ন স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ভোট বাক্স ছিনতাই হলে আওয়ামীলীগের লোকজন এসে ওই প্রতিষ্ঠানের জাহেদুল ইসলাম নামে এক স্কুল শিক্ষককে মারধর করে।
এঘটনায় হামলার শিকার ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক জাহেদুল ইসলাম জানান, হেডমাস্টার অন্য এলাকায় ভোটের দায়িত্বে থাকায় আমাকে স্কুল খুলে দেয়ার দায়িত্ব দিয়ে যান। ভোট কর্মকর্তারা ভোট সেন্টারে আসলে আমি প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলে দিয়ে চলে আসি।
কিন্তু পরে কে বা কারা ভোট বা্ক্স ছিনতার করে। কিন্তু আওয়ামীলীগের লোকজন এসে কোনো কারণ ছাড়াই আমার উপর হামলা চালায়।
এজন্য তিনি জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে সুষ্ঠু বিচার ও ঘটনার তদন্তের দাবি জানান।
পরবর্তীতে একতা বাজার সংলগ্ন দল নিরপেক্ষ লোকজনের দোকানপাট-বাড়ি ঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে জনমনে।
তবে এতে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। দলমত নির্বিশেষে একজোট হয়ে লড়াই করছে। যারা দোকানপাটে, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে তাদের বিচার না হওয়া পযর্ন্ত ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন না তারা।
তাদের দাবি, সবাই ভোট দিতে যেতো কিন্তু এখন আওয়ামীলীগের তাণ্ডবের কারণে কেউ ভোট কেন্দ্রে যাচ্ছেন না।
ভোট দিতে যাওয়া লোকজন জীবনের নিরাপত্তার ভয়ে ভোট না দিয়ে ফিরে আসার ঘটনাও জানা গেছে।
ভোটদান থেকে বিরত একাধিক ভোটার জানান দাবি করেন, অধিকাংশ সাধারণ ভোটার সহজ সরল। তারা এখন ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাচ্ছেন না।