ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবলীগ কর্মী আহসান হাবিব সুমু নিহতের ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাতনাম আরও ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে নিহতের বড় ভাই হাবিবুন সায়ের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমেদ রাসেলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তারা রাসেল গ্রুপের কর্মী বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে কুমিল্লা নগরীর সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই আহসান হাবিব সুমু (৩২) মারা যান। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন আরো দু’জন। আহতদের মধ্যে প্রীতম চক্রবর্তী ঢাকার একটি হাসপাতালে ও প্রিয়ম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিহত সুমু নগরীর মুন্সেফবাড়ি এলাকায় ওমর ফারুকের ছেলে। তিনি সম্পর্কে কুমিল্লা সদরের এমপি বাহাউদ্দিন বাহারের ভাতিজা। সুমু এক সময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউশন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রিন্টু ও ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমেদ রাসেল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় দুই গ্রুপের মধ্যে প্রায় ২৫ রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে এ সংঘর্ষ ভিক্টোরিয়া কলেজ সংলগ্ন মুন্সেফবাড়ি এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে সুমু  গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামসুজ্জামান জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হলেও কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। গ্রেফতার অভিযান চলছে।
[b]ঢাকা, ৩০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ  [/b]