[b]ঢাকা:[/b] বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির একজন নেতা বলছেন,৫ই জানুয়ারির নির্বাচন হয়ে যাবার পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা এখন জনগণকে সম্পৃক্ত করে অহিংস পন্থায় আন্দোলন চালিয়ে যাবার কথা বিবেচনা করছেন।
সোমবার বিএনপি তার নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর সাথে এক বৈঠক বসবে বলে কথা রয়েছে।
বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হবার পর পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অবরোধ হরতাল কর্মসূচি বাতিল করেছে দলটি।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার দাবিতে বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট লাগাতার অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি দিয়ে আসছিল মাস খানেক ধরেই।
তবে তাদের সেই কর্মসূচিতে দৃশ্যত মাঠে দেখা যায়নি জোটের নেতাকর্মীদের।
তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, জাতিসংঘের সাথে সম্পর্ক আমরা অনেক মূল্যায়ন করি। এই সম্পর্কটা আমরা আরও বাড়াবো। কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি হোক সরকারের ওপর।"
বিতর্কিত এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠনের পর বিরোধী জোটের প্রধান বিএনপি তাদের পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে শরিক দলগুলোর সাথে আলাপ আলোচনা করছে।
দলটির নেতারা বলছেন,তাদের কর্মসূচিতে মূলত প্রাধান্য পাবে তৃনমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে জন-সম্পৃক্তা বাড়ানো।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলছিলেন,প্রতিটি জেলা উপজেলায় সভা,সমাবেশ,লংমার্চ এবং অবস্থান ধর্মঘটের কথা তারা চিন্তা করছেন।
তাদের এই আন্দোলনে হরতাল অবরোধের মত কঠোর কোন কর্মসূচি থাকবে কিনা এমন প্রশ্নে মি. রহমান পরিষ্কার করে কিছু না বললেও তিনি জানিয়েছেন সহিংস কোন আন্দোলনে তারা যাবেন না।
বিরোধী জোট-বিহীন এই নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মহল থেকে আলোচনার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছিল।
বিএনপির নেতা মাহবুবুর রহমান বলছেন,জন-সম্পৃক্ততা বাড়ানোর সাথে সাথে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়িয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা তাদের নতুন রাজনৈতিক কৌশলের আরেকটি দিক।
তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র,যুক্তরাজ্য,চীন,জাপান,জাতিসংঘের সাথে সম্পর্ক আমরা অনেক মূল্যায়ন করি। এই সম্পর্কটা আমরা আরও বাড়াবো। কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি হোক সরকারের ওপর। এখনও আমরা মনে করি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের প্রতি আস্থা রয়েছে।”
তবে বিএনপির এই আন্দোলন কর্মসূচির লক্ষ্য হবে সব দলের অংশগ্রহণে যত দ্রুত সম্ভব একাদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলাম। দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মানবতা-বিরোধী অপরাধের অভিযোগের পর বাকি অধিকাংশ নেতাই আত্মগোপনে রয়েছেন।
কূটনীতিকদের সাথে নিয়ে সরকারের ওপর চাপ তৈরি বিএনপির আরো একটি কৌশল।
বিএনপির পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে জামায়াতের সাথে তাদের সম্পর্ক কৌশলগত। এই সম্পর্ক স্থায়ী কোন সম্পর্ক নয়।
দৈনিক পত্রিকা নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবর মনে করেন,বিএনপি এখন যেসব রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছে সেখানে তাদের একক সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে।
তিনি বলেন,“আমার মনে হয় এই মুহূর্তে বিএনপি যে কৌশলের কথা বলছে সেটা খুব বেশি প্রকাশ পাবে না। আগের মত জামায়াতের সাথে সম্পর্ক আছে বলে আমার মনে হয় না। এবং তারা যেসব কর্মসূচির কথা বলছেন সেটা বিএনপি এককভাবেই নিয়েছে।”
নির্বাচনের পর পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে বিএনপি তার ১৮ দলীয় জোটের শরিকদের সাথে আজ সোমবার রাতে এক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা
জনগণকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যেতে পারে বিএনপি
ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির একজন নেতা বলছেন,৫ই জানুয়ারির নির্বাচন হয়ে যাবার পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা এখন জনগণকে সম্পৃক্ত করে অহিংস পন্থায় আন্দোলন চালিয়ে যাবার কথা বিবেচনা করছেন।
বিএনপি সরকার জনগণের সাথে গাদ্দারি করছে
শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রব হাশেমীর সভাপতিত্বে পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
রাত পোহালেই ভোট,কে জিতবে!জামায়াত না বিএনপি
রাত পোহালেই বহুল আলোচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে চরম উত্তেজনা ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ভোটের পরিবেশ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা এখন সর্বমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
নাহিদ ইসলাম বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারিও ভুক্তভোগী
বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় সারা দেশেই বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারি ভুক্তভোগী হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারে নিজেদের লোক বসানোর পাঁয়তারা করছে বিএনপি
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানোর জন্য বিএনপি এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে তাদের দেওয়া র্যাঙ্ক চয়েস পদ্ধতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হবে।
নাহিদ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি
আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে দলটিকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, বিএনপি সরকার তাই করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।















