[b]দোহা:[/b] মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের উপর চালানো দমন-পীড়নের তীব্র সমালোচনা করেছে কাতার। মিশরের সর্ববৃহৎেও জনপ্রিয় সংগঠন ব্রাদারহুডকে সম্প্রতি 'সন্ত্রাসী' সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করারও সমালোচনা করে আরব উপসাগরীয় এ দেশটি। কাতারের সরকারি সংবাদ সংস্থা কিউএনএ'র বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।
ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করার মাধ্যমে এর সমর্থকদেরকে হত্যার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করে কাতার। মিশরের সেনা সমর্থিত একটি অনির্বাচিত সরকার, যার কোনও জনসমর্থন নেই; তারা কেমন করে দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় সংগঠনকে 'সন্ত্রাসী' হিসেবে ঘোষণা করার অধিকার রাখে তাও বোধগম্য নয় বলে জানিয়েছে দেশটি। কাতার জানিয়েছে, মিশরের চলমান এই সংকটের সমাধান কেবল সকল পক্ষের আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাইয়ে মিশরের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। ব্রাদারহুড সমর্থিত প্রেসিডেন্ট মুরসির ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকেই সংগঠনটির উপরে দমন-পীড়ন শুরু করে সেনাবাহিনী। এতে এখনো পর্যন্ত কয়েক হাজার ব্রাদারহুড সমর্থক নেতা-কর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো কয়েক হাজার। তাছাড়া, আটক করা হয়েছে হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে।
শুরু থেকেই ব্রাদারহুডের উপর চালানো এই হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করে আসছে কাতার। ব্রাদারহুড সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ-আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে আসছে কাতার ও তুরস্ক। আর এ কারণে মিশরের সামরিক জান্তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে কাতার ও তুরস্কের। এরই অংশ হিসেবে কাতারভিত্তিক বিখ্যাত আন্তর্জাতিক টেলিভিশন ও সংবাদ চ্যানেল আল জাজিরার মিশরের প্রতিনিধিদেরকে বেশ কয়েকবার আটক ও হেনস্থা করে সামরিক জান্তা। এখনো মিশরে আল জাজিরার তিনজন সাংবাদিককে আটক করে রেখেছে সামরিক বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মিশরের 'সুনাম'কে ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন।
এ দিকে, শুক্রবার ব্রাদারহুড সমর্থকরা সামরিক সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের পদত্যাগ চেয়ে আবারো বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভের সময় পুলিশ গুলি চালালে অন্তত ১৭ জন ব্রাদারহুড সমর্থক নিহত হন। প্রসঙ্গত, মোহাম্মদ মুরসির ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে দেশটিতে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ-সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।
শ্রেণীহীন
মিশরের সামরিক সরকারের তীব্র সমালোচনা কাতারের
দোহা: মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের উপর চালানো দমন-পীড়নের তীব্র সমালোচনা করেছে কাতার। মিশরের সর্ববৃহৎেও জনপ্রিয় সংগঠন ব্রাদারহুডকে সম্প্রতি 'সন্ত্রাসী' সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করারও সমালোচনা করে আরব উপসাগরীয় এ দেশটি।





