ভোলার মনপুরা-তজুমদ্দিন নৌ-রুটে যাত্রীবাহী সী-ট্রাকটি ২৩ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ব্যস্তময় এই রুটে যাত্রীবাহী সী-ট্রাক না থাকায় প্রতিদিন শত শত যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ছোট মাছ ধরার ট্রলারে করে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিচ্ছেন।
ভোলা জেলার সঙ্গে মনপুরার নদীপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সী-ট্রাক। গত এপ্রিল মাসে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ রুটে টানা ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর ২২ এপ্রিল চালু করা হয়। কিন্তু গত ৫ মে থেকে ফের বন্ধ হয়ে যায় যাত্রীবাহী সী-ট্রাক। যাত্রীরা বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ছোট মাছ ধরার ট্রলার করে পাড়ি দিচ্ছে মেঘনা।
এমতাবস্থায় যেকোনো সময় কাল বৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার দুর্ঘটনায় প্রাণহানির আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা ।
সী-ট্রাকের ইঞ্জিন ড্রাইভার সিফত জানান,যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সী-ট্রাক বন্ধ হয়ে গেছে।
সী-ট্রাকের মাস্টার মো. আবদুল জলিল জানান,সী-ট্রাকটি অনেক পুরনো। ইঞ্জিন নতুন করে প্রতিস্থাপন করতে হবে। নতুন ইঞ্জিন না দেওয়ার কারণেই বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এটি।
নাম জানাতে অনিচ্ছুক সী-ট্রাকের এক কর্মচারী জানান,টেন্ডারে পাওয়া এস কে ট্রেডার্স ইচ্ছে করে নতুন সী-ট্রাক বাদ দিয়ে তেল খরচ বাঁচাতে এ পুরনো সী-ট্রাক বরাদ্ধ করে নিয়ে আসে। এতে বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। আর তাদের এ আচরণের জন্য বারবার মনপুরা-তজুমদ্দিন রুটের হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী দুর্ভোগে পড়ছেন।
এদিকে এস কে ট্রেডার্সের ম্যানেজার ভুট্টো বলেন,ইঞ্জিনে ত্রুটির জন্য সী-ট্রাকটি চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত ৮ মে থেকে ইঞ্জিন মেরামতের কাজ শুরু হয়ে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মেরামতের কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
ইঞ্জিন মেরামতের কাজ শেষ হলে আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে সী-ট্রাকটি আবার যথারীতি এ রুটে চলাচল করতে পারে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্যাহ আল বাকী বলেন,সী-ট্রাক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা দ্রুত ইঞ্জিন মেরামতের কাজ করছেন। কাজ সম্পন্ন করে সী-ট্রাকটি যাত্রী পরিবহনে রেগুলার হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান বাকী।
[b]ঢাকা, ২৮ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]
শ্রেণীহীন
মনপুরায় যাত্রীবাহী সী-ট্রাক ফের বন্ধ
ভোলার মনপুরা-তজুমদ্দিন নৌ-রুটে যাত্রীবাহী সী-ট্রাকটি ২৩ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ব্যস্তময় এই রুটে যাত্রীবাহী সী-ট্রাক না থাকায় প্রতিদিন শত শত যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ছোট মাছ ধরার ট্রলারে করে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিচ্ছেন





