গুম হওয়ার ৫০ দিন পর সাবেক শিবির নেতা মহিদুলের লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে। মহিদুল ২০১৩ সাল পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিখোঁজের ৫০ দিন পর মঙ্গলবার জানা গেছে, মহিদুলকে হত্যা করার পর তার লাশ অজ্ঞাত হিসেবে বগুড়ার শিবগঞ্জে দাফন করা হয়।
অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, ১৩ জানুয়ারি রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টাঙ্গাইল থেকে মহিদুল ও ছাত্রদল কর্মী আতিককে গ্রেফতার করে। এর পর থেকে এ দু’জনই নিখোঁজ ছিলেন। ২০ জানুয়ারি আতিকের রক্তাক্ত লাশ নীলফামারীর সৈয়দপুরে পাওয়া গেলেও এত দিন মহিদুলের কোনো সন্ধান মিলেনি।
বগুড়ায় অজ্ঞাত লাশ হিসেবে দাফনের এক মাস তিন দিন পর নীলফামারী সদর থানায় পাঠানো লাশের ছবি দেখে শিবিরনেতা মহিদুল ইসলামের লাশ সনাক্ত করেছে তার পরিবারের সদস্যরা।
১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া আঞ্জুমানে মফিদুলে অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে মহিদুলের লাশ দাফন করা হয়েছিল। নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের সুখধন গ্রামের ক্বারী আনোয়ার হোসেন ছেলে মহিদুল। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বর্তমান সরকারের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের গাড়িবহরে হামলা মামলায় মহিদুলকেও আসামী করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত এ মামলার তিন আসামির লাশ পাওয়া গেছে। ইতোপূর্বে এক নম্বর আসামি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রাব্বানির লাশ পাওয়া গিয়েছিল ১৮ জানুয়ারি। এরপর ছাত্রদল নেতা ৪ নম্বর আসামি আতিকুল ইসলাম আতিকের লাশ পাওয়া যায় ২০ জানুয়ারি। নিলফামারী সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার মুহিদুলের পরিবারকে তারঁ লাশ দাফনের খবর জানানো হয়।
[b]ঢাকা, ৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
শিবির নেতা মহিদুলের লাশের সন্ধান
গুম হওয়ার ৫০ দিন পর সাবেক শিবির নেতা মহিদুলের লাশের সন্ধান পাওয়া গেছে। মহিদুল ২০১৩ সাল পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।





