রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম এবং জালিয়াতির ঘটনায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা হয়েছে। এটা প্রাথমিক পদক্ষেপ । তদন্তের পর চার্জশিটে সংশ্লিষ্টদেরকে আসামি করা হবে জানান দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সচিব মো. ফয়জুর রহমান।
বুধবার দুপুরে দুদক মিডিয়া সেন্টারেমাসিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিন কর্মকর্তা বলেন, অনুসন্ধানী কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রধান অপরাধীর বিরুদ্ধেই ৩ টি মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়। বাকিদের সঙ্গে আপোষ করার প্রশ্নই আসে না।
তিনি রাজউকের প্লট জালিয়াতির ঘটনায় দুদকের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নয়। এটা একটি বড়
গত কাল মঙ্ঘলবার ২২ এপ্রিল মতিঝিল থানায় ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা ৩টি দায়ের করেন দুদক উপপরিচালক যার মামলা নং-৭,৮,ও ৯।
অভিযোগ রয়েছে, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকাকালে ড.খন্দাকর শওকত হোসেন ২০০১ সালে সম্প্রসারিত উত্তরা প্রকল্পে নিজের নামে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে ৫ কাটা এবং ন্ত্রী ঢাকা কলেজের অধ্যাক্ষ ড.আয়শা বেগমের নামে সাড়ে ৭ কাটার ১ টি প্লটকে ১২ কাঠায় রুপান্তরিত করেন।
তার নিজের নামের ৩ কাঠার প্লটকে অনিয়মের মাধ্যমে ৫ কাঠায় রূপান্তর করেন। পরে সেখান থেকে ২ কাঠা বিক্রি করে দেন। কিন্তু ওই জমি ডেভেলপমেন্টের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ার সময় পুরো ৫ কাঠার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান করেন।
অভিযোগ রয়েছে,পূর্বাচল প্রকল্পে ২০০৪ সালে শওকত হোসেন তার স্ত্রী ড. আয়েশা খানমের নামে সাড়ে ৭ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন। পরে সেটাকে ১২কাঠায় উন্নীত করেন।
একইভাবে রাজউকের উত্তরা আবাসিক প্রকল্পে জালিয়াতি করে সচিব তার মায়ের নামে নেন তিন কাঠার প্লট। পরে সেটাকে পাঁচ কাঠায় উন্নীত করেন তিনি।
[b]ঢাকা,একে, ২৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)[/b]
প্লট জালিয়াতিতে শওকতের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক
রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম এবং জালিয়াতির ঘটনায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা হয়েছে। এটা প্রাথমিক পদক্ষেপ । তদন্তের পর চার্জশিটে সংশ্লিষ্টদেরকে আসামি করা হবে জানান দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সচিব মো. ফয়জুর রহমান
গোপন সনদে বাল্যবিয়ে জালিয়াতির ফাঁদে কিশোরীদের আইনি সুরক্ষা
সরকারি নিবন্ধন খাতাকে পাশ কাটিয়ে নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায় অবাধে ‘গোপন রেজিস্টারে’ চলছে নাবালক-নাবালিকাদের বাল্যবিয়ে। সরকারি নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিয়ের তথ্য আলাদা খাতায় সংরক্ষণ করছেন একশ্রেণীর অসাধু ম্যারেজ রেজিস্ট্রার (কাজী)। পরবর্তীতে ছেলে বা মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয় বিয়ের মূল নকল (কাবিননামা)। রেজিস্ট্রেশনের এই অবৈধ বাণিজ্যের কারণে আইনি সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সংস্থাটির তদন্ত চলার মধ্যেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন।
তালাক নিবন্ধনে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ডিজিটাল বিবাহ জালিয়াতি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন চালু হলে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, জাল বিবাহ সনদ ও বিবাহসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি রোধ করা সহজ হবে। একই সঙ্গে জনগণ দ্রুত বিবাহ ও তালাকের তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
শেয়ার জালিয়াতি মামলায় আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি চুপ্পু
দুর্নীতি, প্রতারণা, প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকের অর্থ লুট ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক জোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহলের মামলার আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ মামলায় তার সাথে রয়েছেন আরো ১৯ জন।
৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে চুপ্পুর কোম্পানিও জড়িত
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সসহ এস আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো।
















