সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ নেতা মুহাম্মদ ফারুক খান এম.পি বন্দুকযুদ্ধের বিষয়ে বলেছেন,যারা নিহত হচ্ছে তারা সবাই সন্ত্রাসী। প্রতিটি ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় প্রকাশ
এবং শাস্তি পাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। আর বিএনপি জামায়াত যেখানে নির্যাতন চালিয়েছে
সেসব জায়গা্য়ই বেশি ক্রসফায়ার হচ্ছে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর বিয়াম অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত  বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
সংলাপে প্যানেল সদস্য হিসেবে আরো  উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড.আসিফ নজরুল, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান ওমর এবং ইউএন সিডো কমিটির সাবেক চেয়ারপারসন সালমা খান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড.আসিফ নজরুল বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধে যারা মারা যান তাদের অধিকাংশই বিরোধীদলের। তিনি আরো বলেন, পুলিশ সদস্য নিহত হলেও কিভাবে নিহত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। বলা হয় শান্তি রক্ষার জন্য এই ক্রসফায়ার। কবরের শান্তিকে যদি শান্তি বলা হয় তবে সেই শান্তির আমাদের দরকার নেই।
বহুল আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা
বাড়াতে কি বিশেষ কোন ভূমিকা রাখবে? এমন প্রশ্নের জবাবে শাহজাহান ওমর বলেন, কোন ভূমিকা রাখবে না। কারণ এর পেছনে বড় আন্তর্জাতিক
গ্যাং কাজ করছে। তাই দুই জন মন্ত্রীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে সমস্যার সমাধান হতে পারে
না। সকলেরই বিচার করতে হবে। এ রায় ফাইনাল কোন রায় নয়।
আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক খান বলেন, এ মামলার রায় সবার জন্য একটি সিগনাল। আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে। যারা সবচেয়ে বেশি জড়িত ছিলো তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি
হয়েছে। আশপাশের দেশ এ ব্যাপারে কি করেছে  তা আমাদের দেখার বিষয় নয়। বাংলাদেশের
মানুষ শান্তিতে থাকবে এটাই কাম্য।
ঢাকা, জেইউ, ফেব্রুয়ারি ১ ( টাইমনিউজবিডি.কম ) // টিআই