বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কুমিল্লার ব্রাক্ষণপাড়া উপজেলার গঙ্গানগরে সালিশ বৈঠকে উভয় দেশের নাগরিকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় এক বাংলাদেশিকে ভারতে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়, অপরদিকে ভারতের এক নাগরিককে আটকে রাখা হয় বাংলাদেশে।
পরে বিজিবি ও বিএসএফ এর কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিককে দুই দেশে হস্তান্তর করা হয়।  
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী গঙ্গানগরে উভয় দেশের গ্রাম মাতব্বরগণ সালিশ বৈঠকে বসেন। বৈঠকের এক পর্যায়ে সংঘর্ষ ও নাগরিক ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তের ২৫৭ পিলার সংলগ্ন জিরো পয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফের কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় দেশের আহত নাগরিকদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়,গত এক মাস ধরে ত্রিপুরার রহিমপুর গ্রামের কিছু যুবকের সাথে ব্রাহ্মণপাড়ার ভাগড়া গ্রামের কিছু যুবকের দ্বন্দ্ব চলছিলো।
এ দ্বন্দ্ব নিরসনে বিকেল ৫টায় উভয় গ্রামের মাতব্বররা সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের গঙ্গানগর গ্রামে সালিশ বৈঠকে বসেন। বৈঠক ১০/১৫ মিনিট চলার পর উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষে আহত হন ৫ জন।
সংঘর্ষের সময় ভাগড়া গ্রামের শাহজাহানকে রহিমপুরে ধরে নিয়ে যায় ত্রিপুরার লোকজন। একই সময় রহিমপুর গ্রামের চন্দ্রমোহন দেবনাথকে (৩৪) ভাগড়া গ্রামে আটকে রাখে বাংলাদেশিরা।
পরে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তের ২৫৭ পিলারের নিকট জিরো পয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফের কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকের পর উভয়কেই স্ব স্ব দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে কুমিল্লা ১০ বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্ণেল শহিদুর রহমান টাইম নিউজকে জানান, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দু’দেশের নাগরিক দু’দেশে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে হাতাহাতি হয়েছে শুনেছি, তবে কেউ আহত হয়েছে কিনা জানি না।
[b]কুমিল্লা,৭ফেব্রুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]