উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের অন্তর্দলীয় কোন্দলের সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন মারা গেছেন।
সোমবার ভোররাতে ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত আল আমিন শ্রীপুর পৌর এলাকার উজলাব গ্রামের আবুল হোসেনর পুত্র। সে শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জলিলের সমর্থক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলা ব্যাপক সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন। এছাড়া আহত হন আরও ২৫ জন।
আহত আল আমিনকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।
এদিকে আল আমিনের মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয় ব্যাপক ধূম্রজালের। শনিবারই তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
তবে সোমবার পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হলেও পুলিশ প্রথমে তা অস্বীকার করে।
রোববার পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনায় মোট ১৯ জন আটক হয়েছে। ঘটনার প্রধান আসামি চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন সবুজের প্রধান দেহরক্ষী শাহজাহান ওরফে কামরুল সহযোগী মাসুমসহ রোববার রাতে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার হন।
ঘটনার দিন অস্ত্র হাতে গুলি করতে উদ্যত শাহজাহান ওরফে কামরুলের একাধিক ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
আটক অন্যরা হলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা কফিল উদ্দিন মণ্ডল, উপজেলা যুবলীগ নেতা জুয়েল, সেলিম, শ্রমিক লীগ নেতা ইউসুফ কাজী, ছাত্রলীগ নেতা লিটন, কৃষ্ণ বাসফোর, শিপু, নাজমুল, ইমরান, হুমায়ুন, মোস্তফা, সিরাজ, সোহেল, সাগর, কাদির মন্ডল, মাসুদ,আব্দুর রহিম।
নির্বাচনী প্রচারণাকালে শুক্রবার দুপুরে আব্দুল জলিলকে র্যা ব আটক করে নিয়ে যায়। এর প্রতিবাদে জলিল সমর্থকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক ৭ ঘন্টা অবরোধ করে। পরে জলিলের মুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পর অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় তারা।
[b]গাজীপুর,১০মার্চ,টাইমনিউজবিডি//এসএইচ[/b]