জায়ান্ট মিলিবাগ পোকা নিয়ে আতংকের কিছু নেই। এই পোকা জনস্বাস্থ্যের জন্য কোনো হুমকি নয়। এটি মানুষের কোনো ক্ষতি করে না। তবে সংবেদনশীল মানুষের শরীরের সংস্পর্শে এলে চুলকানি হতে পারে বলে জানিয়েছেনে বিশেষজ্ঞরা।
বিশিষ্ট কীটতত্ত্ববিদ এবং শের-এ-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. মোছা. নূর মহল আখতার বানু বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানান।
সম্প্রতি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে জায়ান্ট মিলিবাগ পোকার প্রার্দুভাব দেখা দিলে গণমাধ্যমে এই পোকা নিয়ে নানা প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।
ড. নূর মহল আখতার এ পোকার মরফোলজী,জীবন বৃত্তান্ত,পোষক,বাংলাদেশে বিস্তৃতি, মৌসুমভিত্তিক প্রার্দুভাব,রাসায়নিক দমন,বোটানিক্যাল দমন এবং সমন্বিত দমন বিষয়ে গবেষণা করেছেন। তিনিই বাংলাদেশে প্রথম এ পোকা নিয়ে গবেষণা করেন। এই পোকা নিয়ে দীর্ঘ ৪ বছর গবেষণা করে পিএইচ ডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
তিনি জানান,এ পোকার বৈজ্ঞানিক নাম ড্রসিকা ম্যানজিফেরি। পরিবার মনোফ্লেবিডি এবং বর্গ হোমপ্টেরা।
নূর মহল আখতার বানু বলেন,২০০৩ সালে শের-এ-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পোকা প্রথম দেখা যায়। তবে তখন প্রাদুর্ভাব অনেক কম ছিল। ধীরে ধীরে পোকার পরিমাণ বাড়ছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে।
পাশ্ববর্তী দেশ ভারত,পাকিস্তান ও চীনে এই পোকার বিস্তার রয়েছে অনেক আগে থেকে। বাংলাদেশে ১২ জেলায় ২০১১ সালে জরিপ চালিয়ে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট,ফার্মগেট এর খামারবাড়ী মোড় এলাকায়,পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাংগা পামুলী,ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা ক্যাম্পাসে ও দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এই পোকার উপস্থিতি দেখা গেছে। সূত্র: বাসস
[b]ঢাকা, ২৪ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ[/b]