সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী, এমপি, ভিআইপি এবং সিআইপিদের দুর্নীতিতে বিশেষ নজর রয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ বিভাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিশন সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ওই বিভাগ থেকেই ভিআইপিদের দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দেশের দুর্নীতি প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
সোমবার দুপুরে দুদক মিডিয়া সেন্টারে মাসিক সংবাদ সম্মেলনে দুদক সচিব এসব কথা জানান। দুদকের মহাপরিচালক ( প্রতিরোধ ও গণসচেতনতা) ড. মো: শামসুল আরেফিন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, সাবেক এবং বর্তমান মন্ত্রী, এমপিদের দুর্নীতি ,অনিয়ম এবং অলববৈধ সম্পদের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানী কার্যক্রম চলমান আছে। পর্যায়ক্রমে তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে গত নবম সংসদের ৯ জন সদস্য বর্তমান দশম সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগ পেলে তাও খতিয়ে দেখা হবে।
ফয়জুর রহমান বলেন, সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের ড্রাইভার আলী আজমকে পেলে তার বক্তব্য নিয়ে মামলার তদন্ত সম্পন্ন করা হবে। কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী গত ফেব্রুয়ারি মাসে দুদকের কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেন।
গত মাসে অভিযোগ জমা পড়েছে ৮০৮টি। এর মধ্যে অনুসন্ধানের জন্য নেয়া হয়েছে ১০৮টি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে ২৮টি, মিডিয়ায় প্রকাশের ভিত্তিতে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে ৩৮টি এবং প্রতিবেদন গ্রহন করা হয়েছে ৫২টি।
তিনি বলেন, গত মাসে ৪৮টি মামলা ৯৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
দুদক সচিব বলেন, গত মাসে ৪১ জনের বিরুদ্ধে ২১টি মামলায় দায়েরের অনুমোদন করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ২৮ জন সরকারি চাকুরিজীবী, ৩ জন ব্যবসায়ী, একজন রাজনীতিবিদ ও ৯ জনের পরিচয় উল্লেখ নেই।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব বলেন, নারী পুরুষ নয়, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসবে তথ্য উপাত্ত যাচাই বাছাই করে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত মাসে আবদুর রহমান বদি নামে একজন সংসদ সদস্য সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানান তিনি।
[b]ঢাকা, একে, ২৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]