লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ কেরোয়া গ্রামে অভাব-অনটনের কারণে পারিবারিক অশান্তিতে অতিষ্ট হয়ে শেষ পর্যন্ত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন মোঃ সোহাগ (৪৫) নামে এক যুবলীগ নেতা।
সোহাগ রায়পুর উপজেলা কেরোয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি। তিনি মোল্লারহাট এলাকার কয়াল বাড়ির সৈয়দ আহম্মদের ছেলে। স্ত্রীসহ তার বিবাহিত এক মেয়ে ও ৮ বছরের এক ছেলে রয়েছে।  
সোমবার দুপুরে আত্মহত্যার পর লাশের ময়না তদন্ত ছাড়াই বিকেল ৫টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে নিহতের লাশ দাফন করা হয়েছে।
কেরোয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা মো. লিটন জানান, অভাব অনটনে পড়ে পারিবারিক অশান্তি ছিল নিত্যদিনের। এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মানসিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে সোহাগ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপক কুমার সাহা বলেন, খবর পেয়ে যুবলীগ নেতার বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে আত্মহত্যা করায় ও এলাকাবাসীর অনুরোধে লাশ ময়না তদন্ত করা হয়নি।  
চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগ নেতা সোহাগ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। সে সময় মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অভাবের কারণে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেননি।
কেরোয়া ইউনিয়ন যুবলীগের কয়েকজন নেতা চাঁদা তুলে কিছুদিন তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরও তিনি কোনো সহযোগিতা পাননি।
কিছুদিন আগে তার একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়। এতে পারিবারিক অভাব অনটন আরো বেড়ে যায়।
[b]ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]