[b]যশোর:[/b] যশোরের মালোপাড়ায় নির্বাচন পরবর্তী যে সহিংসতা হয়েছে তা বিছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। সরকার এর দায় এড়াতে পারে না এমন অভিযোগ করেছেন  গণতান্ত্রিক বামমোর্চার নেতারা।
শনিবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ চাপাতলা মালোপাড়া পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন গণতান্ত্রিক বামমোর্চার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার।
এসময় তিনি বলেন,পঞ্চগড় থেকে শুরু করে দিনাজপুর, বরিশাল, সাতক্ষীরা সর্বত্রই চলেছে এই দানবীয় সন্ত্রাস। এসব সন্ত্রাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগও সম্পৃক্ত।
তিনি বলেন, এই সাম্প্রদায়িক হামলার দায় শাসকগোষ্ঠী এড়াতে পারে না। কেননা সংখ্যালঘুদের সম্পদ দখল, লুণ্ঠন করতে বুর্জোয়া দলগুলো ধর্মকে সব সময়ই ব্যবহার করে আসছে। এখানে আলাদা করে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত বা জাতীয় পার্টিকে দোষারোপ করে লাভ হবে না।
গণতান্ত্রিক বামমোর্চার কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী বলেন, রাষ্ট্রই জনগণের মধ্যে বিভক্ত তৈরি করে রেখেছে। এখানে ১৮ দল কিংবা মহাজোট তার কায়েমী স্বার্থ চরিতার্থ করতে সন্ত্রাস করে আর মাঝখানে পড়ে জুলুমের শিকার হন দরিদ্র মানুষ। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন এরই অংশ।
গণতান্ত্রিক বামমোর্চা নেতা ফিরোজ আহমেদ বলেন, দেশের যেসব স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে, সেখানে মূলত ভোট ও সম্পদের দিক থেকে লাভবান হয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা জামায়াত।