বেনাপোল (যশোর):দেড় কেজি স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন।যশোর থেকে পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তে আসছে এ খবর জানান পর সোমবার রাত ৯টার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়ুম আলী সরদার এসএই রফিকুল ইসলামকে সরিয়ে রেখেছেন এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ২ জানুয়ারি কাগজপুকুর মোড় থেকে ৫১টি স্বর্ণের বারসহ মোমিন নামে এক আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ীকে আটক করে পোর্ট থানা পুলিশ।
আটক স্বর্ণ ব্যবসায়ী মোমিনের কোমরে বাধা বিশেষ কায়দায় ফিতার মধ্যে রাখা ছিল ৩৬টি স্বর্ণের বার এবং জ্যাকেটের পকেটে ছিল ১৫টি। আটকের সময় তার কোমরে থাকা ৩৬টি স্বর্ণের বার পুলিশ উদ্ধার করেছে। পরে কাগজপুকুর থেকে ইজিবাইকে করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় পোর্ট থানার ওসির নিদের্শে মমিনের পকেটে থাকা আরো ১৫টি স্বর্ণের বার পুলিশ ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।
এ ঘটনায় মোমিনকে রিমান্ডে আনার কথা থাকলেও ঘটনার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও পোর্ট থানা পুলিশ মোমিনকে রিমান্ডে না আনায় উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়।
পরে সোমবার সকালে যশোর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মোনিনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন তার কাছে ৫১টি স্বর্ণের বার ছিল। সেখান থেকে পোর্ট থানা পুলিশ কর্মকর্তারা ১৫টি রেখে দিয়ে ৩৬টি স্বর্ণ প্রচারের জন্য বলেছিল।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি কায়ুম আলী সরদার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, স্বর্ণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম। সোমবার রাতে যশোর এএসপি সার্কেল বিষয়টি তদন্ত করতে বেনাপোল আসেন। এর পর থেকে এসআই  রফিকুলকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। বর্তমানে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। থানার পাশে তিনি যে বাড়িতে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন সে বাড়িটিও রাত থেকে তালাবদ্ধ রয়েছে। বিষয়টি ডিবি পুলিশ তদন্ত করে দেখছেন।