[b]চট্টগ্রাম:[/b] মহানগরীর সীতাকুণ্ডে সাবেক এক ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলার জের ধরে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা বার আউলিয়া এলাকায় জামায়াত শিবির ও বিএনপি সমর্থিত লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর লুটপাট ও আগুন দিয়েছে।
শনিবার রাত ১০ টার থেকে এ হামলা শুরু হয়। ঘটনাস্থলে সীতাকুণ্ড থানার ওসির নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ থাকলেও তারা কোনো ধরনের বাধা না দিয়ে নীরবতা পালন করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা রৌশনুজ্জামান, কাদের মিয়া, নূর উদ্দিনের বাড়ি, ইসহাক মেম্বার আলম সওদাগর, কামাল টি কোম্পানির বাড়ি ও এর আশে পাশে অসংখ্য বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে বলে প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাতে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া মাজারের পিছনে জনৈক ইসমাইল মোল্লার ছেলে সাবেক ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আজমকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে আহত করে। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় চেয়ারম্যান নূর উদ্দিন জাহাঙ্গীর পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এলাকার দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালিয়েছে। রাজনৈতিক কারণে নয়। আহত আজম এক সময় ছাত্রলীগ করলেও সে বর্তমানে দোকানদারি করে। কিন্তু এ হামলার জের ধরে এলাকার বিভিন্ন ঘর বাড়িতে হামলা করছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।
স্থানীয়রা জানায়, একটি বেসরকারি টেলিভিশনের শিরোনামে আহত আজমকে হত্যা করা হয়েছে সংবাদ প্রচার হওয়ার পরপরই বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এলাকার জামায়াত শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা শুরু করে। খবর পেয়ে র্যা ব পুলিশ বিজিবি এলাকায় গেলেও তাদের সামনেই হামলা চালায় ছাত্রলীগ কর্মীরা।
রাত পৌনে ১২টায় চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম জানান, সীতাকুণ্ড থেকে আহতবস্থায় একজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছে। এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সীতাকুণ্ডের ওসি ইফতেখার হাসানকে বার বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
শ্রেণীহীন
সীতাকুণ্ডে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের বাড়ি ঘরে আগুন
চট্টগ্রাম: মহানগরীর সীতাকুণ্ডে সাবেক এক ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলার জের ধরে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা বার আউলিয়া এলাকায় জামায়াত শিবির





