২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমায় ফৌজদারি মামলায় সাজা পাওয়া ৩৩ ব্যক্তির সাজা মওকুফ বা কমানো হয়েছে। এদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৩০ জন ব্যক্তি আছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
বুধবার দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদ সদস্য পীর ফজলুল রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।
বন্দীদের প্রাণ ভিক্ষার আবেদন বা সাজা মওকুফের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের মুক্তি বা সাজা মওকুফ করার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা কত এ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো জরিপ হয়নি। তাই দেশে কতজন শিশু বা লোক মাদকাসক্ত তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে এ স্বীকার্য যে বিশ্বায়নের ফলে মাদক সমস্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদকাসক্তের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করা ৩০ ব্যক্তি হলেন, মহিউদ্দিন জিন্টু (ঢাকা), আনিসুর রহমান (নাটোর), মো. সেন্টু (নাটোর), মো. ফয়সাল (নাটোর), এম এ ফিরোজ (নাটোর), ফারুক শাহ (নাটোর), ফজলুল হক শাহ (নাটোর), জাহিদুল (নাটোর), শাহ জাহান আলী (নাটোর), মো. বাদল (নাটোর), আবদুল জলিল (নাটোর), মো. সোহাগ (নাটোর), এস এম ফকর উদ্দিন (নাটোর), সাজ্জাদ হোসেন (নাটোর), জহুরুল মেম্বার (নাটোর), মো. ফরমাজুল (নাটোর), আবুল হোসেন (নাটোর), আতাউর রহমান (নাটোর), আসাদ (নাটোর), অহিদুল (নাটোর), চাঁন মিয়া (মাদারীপুর), মো. বাবলু (রাজশাহী), মিন্টু ঘোষ (ঢাকা), আবদুল খালেক (ঠাকুরগাঁও), তালেবউদ্দিন (সুনামগঞ্জ), এ এইচ এম বিপ্লব (লক্ষ্মীপুর), বেনজির আহমেদ (ঝিনাইদহ), ইসলাম উদ্দিন (কিশোরগঞ্জ), রাখাল চন্দ্র সাহা (কুমিল্লা) ও শিমন সিং (সিলেট)। কারাভোগের সাজা মওকুফ বা কমানো ব্যক্তিরা হলেন—সিরাজ মিয়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল মান্নান (টাঙ্গাইল) ও আবদুল জাব্বার (লক্ষ্মীপুর)।
[b]ঢাকা, ৫ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
রাষ্ট্রপতি ৩০ ফাঁসির আসামিকে ক্ষমা করেছেন: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমায় ফৌজদারি মামলায় সাজা পাওয়া ৩৩ ব্যক্তির সাজা মওকুফ বা কমানো হয়েছে। এদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৩০ জন ব্যক্তি আছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
যুবশক্তিই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণের বড় সম্পদ: রাষ্ট্রপতি
দেশের বিশাল যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সাফল্য অর্জন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশের জনসংখ্যার বড় অংশই তরুণ। এই জনমিতিক সুবিধা বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদ ও সম্ভাবনা। তবে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে যুবসমাজকে দক্ষ, কর্মমুখী ও উৎপাদনশীল করে গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব : রাষ্ট্রপতি
আজকের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যেই নতুন বাংলাদেশ ও নতুন স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়।
টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি
টেক্সটাইল খাতের চাহিদা পূরণে দেশে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী তৈরির পাশাপাশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি
চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আব্দুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
















