রাত শেষেই ১১৬ উপজেলায় শুরু হবে ভোটযুদ্ধ। চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে অংশ নিচ্ছেন এক হাজার ৩৫২ প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই এ নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ভোট যুদ্ধ হবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে।
প্রথম ধাপে আওয়ামী লীগ সমর্থীত প্রার্থীদের ব্যাপক পরাজয় হলেও এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় দলটি। অন্যদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় জোট জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়।
এছাড়া বর্তমান সরকারের অন্যতম অংশীদার জাতীয় পার্টি এ নির্বাচন নিয়ে তেমন উদ্বিগ্ন হতে দেখা যাচ্ছে না। কারণ এ দলটির কোন নেতা দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপারে ওয়াকিফহাল নন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বৃহস্পতিবার ৫২ জেলার ১১৬ উপজেলায় এক হাজার ৩৫২ জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে নামবেন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটের দিন নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রচার-প্রচারণাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এ ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন চেয়ারম্যান পদে ৫০৫ জন, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫১১ জন ও নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৩৩৬ জন প্রার্থী।
এসব এলাকায় ভোটকেন্দ্র থাকছে আট হাজার ৬৩টি। ভোটকক্ষ ৫১ হাজার ৩১৫টি। মোট এক কোটি ৯৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৪৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৮ লাখ ৪০ হাজার ৮৬৮ জন আর নারী ভোটার ৯৮ লাখ ২১ হাজার ৭৮০ জন।
ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচনকেন্দ্রিক অপরাধরোধ ও শাস্তি দেয়ার জন্য মাঠে নেমেছে ৪৬৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১১৬ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
জয়ের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুহ-উল আলম লেনিন টাইম নিউজবিডিকে বলেন,প্রথম ধাপের নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ করে দ্বিতীয় ধাপে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসনে জয়ের লক্ষে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা কঠর ভাবে কাজ করছে।এধাপে ভালো ফল আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, বিরোধীদলের নেতা কর্মীদের উপর সরকারের কঠর দমন নিপিড়ন সত্বেও প্রথম ধাপে যে সফলতা এসেছে তার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এ সরকারের প্রতি জনগনের আস্থা নেই।
তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় জোট সমর্থীত প্রার্থী শতকারা ৯৫ ভাগ উপজেলাতে জয় লাভ করবে।
অন্যদিকে অন্তত ১৫টি চেয়ারম্যান পদে জয়ের ব্যাপারে আশা বাদী জামায়াত। দলটির কেন্দ্রীয় এক নেতার সাথে কথা বলে তথ্য জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা বলেন, ৩১টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারমান পদসহ বেশ কয়েকটি পদে দল সমর্থীত প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছে।
সারাদেশে তাদের সমর্থীত প্রার্থীকে জয়ী করার মাধ্যমে সরকারের প্রতি অনাস্থা জানাবে বলে আশা প্রকাশ করেণ এ নেতা।
[b]ঢাকা, এএ, ২৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]
শ্রেণীহীন
বড় দু'দলই জয়লাভে আশাবাদী
রাত শেষেই ১১৬ উপজেলায় শুরু হবে ভোটযুদ্ধ। চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে অংশ নিচ্ছেন এক হাজার ৩৫২ প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই এ নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ভোট যুদ্ধ হবে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে।





