[b]আবুধাবি:[/b] বৃথাই পরিশ্রম করতে চাইল না পাকিস্তান! তাই দিনের খেলা আরও প্রায় ১৫ ওভার বাকি থাকতেই সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেললেন মিসবাহ উল হক। নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে দেখেই বোধহয় আর ব্যাট-বলের লড়াইটা চালালেন না পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররা।
অনেক রং বদলালেও শেষ পর্যন্ত ড্র দিয়েই শেষ হলো আবুধাবি টেস্ট। জয়ের জন্য ৩০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুই উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানে এসে রণে ভঙ্গ দিল পাকিস্তান। কেবল  'টি-২০ টাইপ' ব্যাটিং করতে পারলেই জিততে পারত পাকিস্তান। অর্থ্যাৎ জয়ের জন্য ১৫ ওভারে পাকিস্তানকে করতে হতো ১৪৫ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮০ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কা। তবে, ১৭৯ রানে এগিয়ে থাকায় পাকিস্তানের জন্য লক্ষ্যটা দাঁড়ায় ৩০২ রানে। সে সময় দিনের খেলার বাকি ছিল আর ৭০ ওভারে। জয়ের পথে হাঁটলে ঝোড়ো গতিতে রান সংগ্রহের দিকেই মনোযোগ দিতে হতো পাকিস্তানকে। কিন্তু খুব দ্রুতই প্রথম উইকেটটি হারানোর পর আর কোনো ঝুঁকি হয়তো নিতে যায়নি মিসবাহ উল হকের দল।
দ্বিতীয় ইনিংসের সপ্তম ওভারেই সাজঘরে ফিরেছিলেন ওপেনার খুররাম মনজুর। সে সময় হয়তো জয়ের আশাই জেগেছিল লঙ্কান শিবিরে। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ হাফিজ ও আহমেদ শেহজাদের ১০১ রানের ধীরস্থির জুটিটা হতাশই করেছে শ্রীলঙ্কান বোলারদের। শেহজাদ ৫৫ রান করে আউট হলেও ৮০ রান নিয়ে শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই ছিলেন হাফিজ। আগেভাগেই খেলা থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে হয়তো টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ শতকটাও পূর্ণ করতে পারতেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
প্রথম ইনিংসে ৯১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৭ রানের হার না মানা ইনিংসটি খেলার জন্য ম্যাচ-সেরার পুরস্কারটি উঠেছে লঙ্কান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের হাতে।