ঢাকা: পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে আবারো একক গ্রাহক ঋণসীমার সময় বাড়ানো হয়েছে। সময়সীমা অগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সর্ম্পকিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে তাদের সাবসিডিয়ারি মার্চেন্ট ব্যাংকে দেওয়া ঋণ সমন্বয়ের সময় এক বছর বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি)। এর আগে ২০১১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একক গ্রাহক ঋণ সমন্বয় করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগস্ট মাসে একটি নির্দেশনা জারি করে। তবে পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতনের মুখে ২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর এ সময় এক বছর বাড়িয়ে ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। এরপর এ সময় আবার বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ করা হয়েছিল। আজ আবারো এই সময় এক বছর বাড়ানো হলো।
ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, ঋণ সমন্বয়ের এ সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সাল থেকে বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নভেম্বর ২৪, ২০১১ তারিখের ডিওএস সার্কুলার নং- ০৪-এর ২নং ক্রমিকে বর্ণিত নির্দেশনার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক জানানো হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যাংকগুলো কর্তৃক মার্চেন্ট ব্যাংকিং ও ব্রোকারেজ কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে গঠিত নিজস্ব সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রদত্ত সিঙ্গেল বোরোয়ার এক্সপোজার লিমিটের অতিরিক্ত বিদ্যমান ঋণ বিআরপিডি সার্কুলার নং- ৫/২০০৫ অনুযায়ী নির্ধারিত সীমার মধ্যে নামিয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩-এর স্থলে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।
বিদ্যমান ঋণ কোনো রকম বর্ধিত না করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবশ্যিকভাবে সিঙ্গেল বোরোয়ার এক্সপোজার লিমিটের মধ্যে নামিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংক তার মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ অর্থ নিজস্ব মার্চেন্ট ব্যাংককে ঋণ হিসেবে দিতে পারে। যেসব ব্যাংক এই সীমার চেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে, তা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের মধ্যে নামিয়ে আনার জন্য সময় বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।





