সারাদেশে উৎসব মুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এরইমধ্যে নির্বাচনে জয় পরাজয় নিয়ে হিসাব কষতে শুরু করেছেন ভোটাররা। বসে নেই প্রার্থীরও।
এদিকে, উপজেলায় একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে প্রধান দুই রাজনৈতিক জোট যদিও এটা কোন দলীয় নির্বাচন নয়।
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারী প্রথম ধাপে ৯৮ টি উপজেলায় এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসলেও একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে বড় দুই দল।
ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী প্রার্থীরা। প্রতিশ্রতি দিচ্ছেন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটসহ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত আরো বেশ কয়েকটি দল অংশগ্রহন না করলেও এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে সকল রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা।
এ নির্বাচনের প্রথম দফায় ৯৮টির মধ্যে ৫২টিতেই আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিএনপিতেও একই অবস্থা বিদ্যমান।
তবে হাল ছাড়েনি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। প্রতিনিয়ত একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে যোগাযোগ রাখছেন স্থানীয় নেতাদের সাথে। উভয় জোটের হাইকমান্ড থেকে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে চাপ দেয়া হয়েছে।
যে কোন মুল্যে সকল প্রকার দ্বন্দ নিরসন করে একক প্রার্থীর জন্য কাজ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কারণ এ নির্বাচনকে উভয় জোটই মর্যাদা এবং জনসমর্থনের মাপকাঠি হিসেবে নিয়েছেন।
তবে নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসলেও অনেক উপজেলায় একক প্রার্থী নিশ্চিত না হওয়ায় বিব্রত হচ্ছেন উভয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা। স্থানীয় অনেক নেতাই কার পক্ষে কাজ করবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।
এদিকে নির্বাচনে এ ধরণের সংকট কাটাতে বিএনপির পক্ষ থেকে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে একটি সংক্ষিপ্ত আকারের সেল গঠন করা হয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে। তাদেরকে সহায়তা করবেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকেরা। সরকারী দল আওয়ামী লীগও একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম টাইম নিউজবিডিকে জানান,অনেক উপজেলায় একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়েছে। আবার অনেক উপজেলায় এখনো সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন,শেষ দিন পর্যন্ত সমঝোতার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। যদি আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্বাচন করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক রাজশাহী সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনু বলেন, সরকার একতরফা নির্বাচন করে যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে তা উপজেলা নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে আমরা প্রমান করতে চাই।
নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী সংক্রান্ত সমস্যা আছে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির মত একটি বড় দলের মধ্যে এধরনের সমস্যা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে স্থানীয়ভাবে আমরা এ সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হব।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এ সমস্যার অনেকাংশে সমাধান হয়ে গেছে। বাকীগুলোও তাড়াতাড়ি সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
[b]ঢাকা, এএ, ৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি) // এসএইচ [/b]
শ্রেণীহীন
উপজেলা নির্বাচন: দুই জোটের সামনেই মূল চ্যালেঞ্জ বিদ্রোহী প্রার্থী
সারাদেশে উৎসব মুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে বইছে নির্বাচনী হাওয়া।





