সংঘর্ষ, কেন্দ্রদখল, জাল ভোট, অগ্নিসংযোগ, ব্যালট পেপার ছিনতাই ও বোমা হামলাসহ নানা অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চতুর্থ দফা উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ।
রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে দেশের ৯১ উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে এরইমধ্যে গণনা শুরু হয়েছে।
ভোট চলাকালে নির্বাচনী সহিংসতায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শামসুদ্দীন প্রধান নিহত হয়েছেন।
এছাড়া জীবননগর উপজেলায় ভোট কেন্দ্র দখল করে ব্যালট বাক্স, পেপার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা। এ সময় তারা ৫টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। পরে সেই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।
বিচ্ছিন্নভাবে দেশের প্রায় অর্ধশতাধিক স্থানে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। প্রার্থীরা মোবাইলে ও ফ্যাক্সের মাধ্যমে ইসিতে অভিযোগ করলেও ইসি কোন কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
এছাড়া, পুন:নির্বাচনের দাবি জানিয়ে কয়েকটি উপজেলায় ভোট বর্জনের খবর পাওয়া গছে। ফেনীর সোনাগাজীতে কেন্দ্র দখল ও প্রশাসনের সহযোগিতায় জাল ভোটের অভিযোগ আনেন ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীরা।
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে মেরে ব্যালট বাক্স নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আসলেও ইসি কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
ফেনীর ফুলগাজীতে বর্তমান চেয়ারম্যান একরামুল হকের বিরুদ্ধে অধিকাংশ কেন্দ্র দখল করে ভোট দেয়ার অভিযোগ থাকলেও তা আমলে নেয়নি ইসি।
[b]ঢাকা, ২৩ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]
শ্রেণীহীন
সহিংসতার মধ্যে ভোট গ্রহণ, চলছে গণনা
সংঘর্ষ, কেন্দ্রদখল, জাল ভোট, অগ্নিসংযোগ, ব্যালট পেপার ছিনতাই ও বোমা হামলাসহ নানা অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চতুর্থ দফা উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে দেশের ৯১ উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে এরইমধ্যে গণনা শুরু হয়েছে





